মাত্র চার মাসের ব্যবধানে ঢাকা ওয়াসার পানির বিল ২২ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

মাত্র চার মাসের ব্যবধানে ঢাকা ওয়াসার পানির বিল ২২ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

মাত্র চার মাসের ব্যবধানে ঢাকা ওয়াসার পানির বিল ২২ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অযৌক্তিক হারে পানির দাম বাড়ানোকে তামাশা বলে মনে করেন কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব এর সভাপতি গোলাম রহমান। অপচয়-দুর্নীতি ও অদক্ষতা ঢাকতে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের ওপর দায় চাপাচ্ছে বলে করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান।

ঢাকা ওয়াসার পানির দাম বছরে একবার সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বাড়ানোর নিয়ম থাকলেও মাত্র চার মাসের মধ্যে আবার বাড়লো দাম। চলতি বছরের জুলাইতে এক হাজার লিটার বা এক ইউনিট পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ঠিক করা হয় সাড়ে আট টাকা। এর চার মাস না যেতেই গেল নভেম্বরে এক লাফে ১৭ শতাংশ বাড়িয়ে নতুন দাম ধরা হয়েছে ১০ টাকা। নতুন এ দরেই নভেম্বরের বিল পেয়েছেন গ্রাহকরা।

এ বছর দু’দফায় আবাসিকের পানির দাম বেড়েছে ২২ শতাংশ। একইভাবে শিল্প ও বাণিজ্য খাতের পানির দর বেড়েছে ১৮ ভাগ। শিল্পখাতে ব্যবহার হওয়া এক ইউনিট পানির দাম চার মাস আগে ২৭ টাকার কম থাকলেও এখন পড়ছে ৩২ টাকা। যার চাপ ঘুরে ফিরে পড়ছে ভোক্তাদের ওপরই।

দফায় দফায় পানির দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন-ক্যাব। অপচয় কমাতে ব্যর্থ ওয়াসা পানির দাম বাড়ানোর জন্য দাতা সংস্থার দোহাই দিলেও তা তামাশা মনে করেন সংগঠনটির সভাপতি গোলাম রহমান।

গোলাম রহমান, সভাপতি, কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

পানির দাম বাড়ানো নিয়ে ওয়াসার এমডি-ডিএমডি কেউই ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও দাম বাড়ানোর জন্য খরচ বৃদ্ধির দোহাই দিয়েছেন। তবে, এক কর্মকর্তার দাবি, পানির উৎপাদন খরচ ১৩ টাকা হলেও ভর্তুকি মূল্যে গ্রাহকদের পানি সরবরাহ করছে ওয়াসা।

জিয়াউল হক সবুজ, বাংলাভিশন, ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × two =

আরও

রাজনীতির আরেক নক্ষত্র সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

চলে গেলেন বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির আরেক নক্ষত্র সুরঞ্জিত