মিয়ানমারের সহিংস ঘটনায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি’র নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা চালাচ্ছেন জনসচেতনতামুলক সভা-সমাবেশ, উঠোন বৈঠক।

মিয়ানমারের সহিংস ঘটনায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি’র নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা চালাচ্ছেন জনসচেতনতামুলক সভা-সমাবেশ, উঠোন বৈঠক।

১৯৭৮ আর ‘৯০’র মতো হাজার হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশংকায় উদ্বেগ উৎকন্ঠায় দিন পার করছেন সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। বিজিবি বলছে, সীমান্তে শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার কারণে ১৯৭৮ এবং ১৯৯০ সালে স্থল ও নৌ পথে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়। এই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরৎ পাঠানোর কোন ব্যবস্থা হয়নি। মিয়ানমারে চলমান জাতিগত সহিংসতা অব্যাহত থাকায় জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়রা ১৯৭৮ আর ‘৯০’র মতো পরিস্থিতির আশংকা করছেন।
শরণার্থী শিবিরসহ বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ রেখে মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের নিয়ে আসার জন্য নানা ভাবে উদ্বুদ্ধ করছে। এর সত্যতা মিলেছে মিয়ানমারের খলিফা পাড়ার অধিবাসি আজিম উল্লার বক্তব্যে।
এদিকে, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে বাংলাদেশে বসবাসরত বৌদ্ধরা পাড়া ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে।
এদিকে, রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জনসচেতনতা মুলক সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক করছেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।
এদিকে বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থাপনায় বিজিবি মোতায়েনসহ গোয়েন্দা নজরদারীও বাড়ানো হয়েছে।
সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর বাসিন্দারা রাত জেগে পাহারাও দিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twenty + 5 =

আরও

শরণার্থী পুনর্বাসন নিয়ে কথা বলায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সাথে ফোনালাপ শেষ না করেই, তড়িঘড়ি ফোন রেখে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফোনালাপকে সবচেয়ে খারাপ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বুধবার