ঈদের বিশেষ নাটক ‘বাইক ড্রাইভার’

ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল-এর রচনা ও পরিচালনায় নাটক ‘বাইক ড্রাইভার’ বাংলাভিশনে প্রচার হবে ঈদের দিন রাত ৭টা ৫০ মিনিটে। নাটকে অভিনয় করেছেন সালাহ্উদ্দিন লাভলু, প্রভা প্রমুখ।

নন্দনপুর গ্রামের সাথে শহরের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি অচল হয়ে আছে বেশ কদিন হল। পাশের নদীটিও প্রায় মরে মরে অবস্থা, বিশাল চড় জেগে উঠেছে। কিন্তু রাস্তার এই ঝক্কি-ঝামেলা, চড়াই উতরাই পার করে বাড়ি পৌছানোটা যে সময় সাপেক্ষ ব্যাপার সে তুলনায় গ্রামের মানুষের কাছে এই রাস্তাটি পাড়ি দিতে মটর বাইক দিনে দিনে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এই রুটে চলাচলকারী কিছু সংখ্যক বাইক ড্রাইভারের মধ্যে লাভলু একজন। বড় ভাইয়ের সংসারে থাকে। প্রতিদিন লাভলুর বাইক ভাড়ার লাভের একটা অংশ দিতে হয় তার ভাইকে। কারন বাইকটা আসলে বড় ভাই বাবলুর টাকায়ই কেনা। কিন্তু প্রতিদিনই অন্য সবাই যে পরিমাণ ট্রিপ মারে তার থেকে অনেক কম আপ-ডাউন করতে পারে লাভলু।

সারাদিন এত গুলো সময় সে আসলে কি করে সেই রহস্য তার ভাই বের করতে না পারলেও ঘাটের অন্য সবাই ঠিকই বুঝতে পারে। ওই গ্রামের মেয়ে স্বর্ণা, একটা সরকারি কলেজে অনার্স পড়ে। প্রতিদিন কলেজে যাওয়া আসা করতে তার নদী পাড় হতে হয়। আজকে থেকে না, বহু আগে থেকেই লাভলু স্বর্ণা বলতে অজ্ঞান।

স্বর্ণার সাথে সম্পর্কটা শেষমেশ হয় তার। ভালই চলছিল সবকিছু, কিন্তু বাধ সাধে বিয়ের সম্বন্ধ। স্বর্ণা শেষ বারের মত লাভলুর সাথে একবার দেখা করে তার অপারগতা প্রকাশ করে, সে জানিয়ে দেয় বিয়েটা করা ছাড়া তার আর কোন পথ খোলা নাই।

অন্যদিকে তাদের দুজনকে একসাথে দেখে লাভলুর এক প্রতিপক্ষ পুরো গ্রামে এই খবর ছড়িয়ে দিলে তারা দুজনেই বিয়ের আগ পর্যন্ত নিজ নিজ বাসায় গৃহবন্দী হয়। কিন্তু স্বর্ণার পালিয়ে যায়। বিয়ে বাড়িতে থাকা পুরা গ্রামের লোক স্বর্ণার পিছনে ছুটে, অন্যদিকে স্বর্ণা দৌড় দেয় বাইকের দিকে। সে বাইকে উঠলে দেখা যায় লাভলু হাস্যজ্জল মুখে তার দিকে তাকিয়ে আছে।

তারপর কোত্থেকে একটা ঢিল এসে পরে তার মাথায়। তার হুঁশ ফিরে আসে। সে সাথে সাথে বাইকের গিয়ার ফেলে একটা টান দেয়। আর একটুর জন্য গ্রামের মানুষ তাদেরকে ধরতে পারেনা। লাভলু আর স্বর্ণা পালিয়ে যায় অজানার উদ্দেশ্যে।

You may also like

দেশে আসা নতুন মাদক ”খাট” ইয়াবার চেয়েও ক্ষতিকারক

দেশে আসা নতুন মাদক ”খাট” ইয়াবার চেয়েও ক্ষতিকারক।