পৌষের শীতে কাঁপছে উত্তরের মানুষ

সারা দেশে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এছাড়া, শীতের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে পাড়ে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। হিমালয়ের খুব কাছে হওয়ায় লালমনিরহাটে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি। শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন। ঠান্ডার কারণে কৃষি শ্রমিকরাও পড়েছেন চরম বিপাকে। ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাজে যোগ দিলেও টিকতে পারছেন না জমিতে। নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে তিস্তা ও ধরলা নদীর চরাঞ্চলের মানুষদের।  রংপুরেও একই অবস্থা। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত কুঁয়াশার চাদরে ঢেকে থাকছে চারিদিক। খড়কুটো জালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন জেলাবাসী।

সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরো কমবে বলে আশংকা স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের।  নীলফামারীতেও শীত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ। বেশী আক্রান্ত হচ্ছে শিশু এবং বৃদ্ধ। হঠাৎ করে শীতের প্রকোপ বাড়ায় এ রোগের উৎপত্তি বলছেন চিকিৎসক।  শীতের প্রকোপে গাইবান্ধায় দেখা দিয়েছে শীত জনিত বিভিন্ন রোগ। ঠান্ডা ও রোটা ভাইরাসে আক্রান্তের কারণে ঝুকিতে পড়েছে শিশুরা। গত এক সপ্তাহে জেলা সদর হাসপাতালে তিন শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন শিশু। এসব শিশুদের বেশীর ভাগই ডায়রিয়া, নিমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত।  চিকিৎসক জানালেন চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতাই পারে এসব রোগের আক্রমন থেকে রোগীকে রক্ষা করতে। এদিকে, শীতের তীব্রতা কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়েও।

You may also like

চট্টগ্রামের অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখনো খোলা আকাশের নিচে

চট্টগ্রামের চাক্তাইয়ের ভেড়া মার্কেট বস্তিতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক