বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারী দিবস পালনের ইতিহাস শত বছরের। কিন্তু এই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে নারীর জীবনে ইতিবাচক কোন পরিবর্তন কি এসেছে ? এখনো প্রায় প্রতিদিনই গণমাধ্যমে উঠে আসে নারীর ওপর সহিংসতাও নির্যাতনের নানা ঘটনা। তারপরও প্রতি বছর সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হয় নারী দিবস। তবে, উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের মতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার শুরু হতে হবে পরিবার থেকেই। ১৮৫৭ সালে একটি সুঁই কারখানায় দিনে ১২ ঘন্টা কাজের সুযোগ আর সমান মজুরির দাবিতে নারীদের ঐতিহাসিক আন্দোলনের সূচনা হয় নিউইয়র্কে। এরপর ১৯০৮ সালের ৮ মার্চ ভোটাধিকারের জন্য লড়েছিল নারীরা। নারী মুক্তি আন্দোলনের মাইলফলক সেই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯১০ সালে ৮ মার্চ আর্ন্তজাতিক নারী দিবস পালনের ঘোষণা দেন কোপেনহেগেনে জড়ো হওয়া ১৭ টি দেশের নারী প্রতিনিধিরা।

এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিবছর এই দিনে পালিত হচ্ছে নারী দিবস।কিন্তু একশ বছর পরে এসেও নারীর প্রকৃত অধিকার আদায় কতটুকু হয়েছে ? সেই প্রশ্ন এখনো অজানা। পত্রিকার পাতায় প্রতিদিই দেখা যায়, কোন না কোন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিংবা কর্মক্ষেত্রেও বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঘটনা কমেনি এতোটুকুও। নারীর অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যারা অগ্রণী তাদের মতে সবার আগে প্রয়োজন মানসিকতার পরির্তন। তারা মনে করেন নারী পুরুষ লিঙ্গ ভেদ নয় সব সন্তানকে উত্তরাধিকারীর মর্যাদা দিলেই নারীর প্রতি বৈষম্য কমবে। সহিংসতা আর নির্যাতনের গ্রাস থেকে মুক্ত হয়ে নারী ও কন্যাশিশুরা নিরাপদ থাকবে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে এটাই হোক প্রত্যাশা।

 

You may also like

১৪ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার ২০১৯

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১১:০৫ :