রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পানির জন্য হাহাকার

পানির হাহাকার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়। কোথাও এক-দুই মাস ধরে পানি নেই, আবার কোথাও কলে আসে ময়লা পানি। খাওয়া দূরের কথা, গোসল বা রান্নার কাজেও ব্যবহার উপযোগী নয় এ পানি। পানি সংকট থেকে মুক্তি পেতে ওয়াসা নয়, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান ভুক্তভোগীরা। ভারতের মরুভূমি অঞ্চলে দূরবর্তী এলাকা থেকে পানি বয়ে আনার এমন দৃশ্য দেখে অনেকেই শিহরিত হন। কিন্তু আমাদের খোদ রাজধানীতেও এরকম দৃশ্য এখন আর কাউকে চমকিত করে না। পানযোগ্য পানির জন্য এক দুই কিলোমিটার দূর থেকে পানি বয়ে নেয়া যেন শনির আখড়ায় একটা স্বাভাবিক ঘটনা।

বাসা-বাড়ির কলে তাহলে কি পানি সরবরাহ করছে ওয়াসা? শুরুতে অতটা খারাপ না দেখালেও দু’তিন মিনিট পরেই তা পরিণত হয় হলুদ রংয়ের পয়ঃনিষ্কাশনের পানির মতো। এই পানি খাওয়ার অযোগ্য। গোসল বা রান্না করাও যায় না। ছাদের ট্যাংক উপচে পড়া পানিতে দেয়ালের রঙ পর্যন্ত বদলে যাচ্ছে। ঢাকাবাসির দৈনিক মাথাপিছু পানির চাহিদা ১৪০ লিটার। আবাসিক এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ চাহিদা অনুযায়ী পানি পায় না। আর সুপেয় পানির জন্য অনেকেই যেতে হয় এক দুই কিলোমিটার দূরবর্তী কোন পানির পাম্পে। সেখানেও থাকে লাইন। রমজানের মধ্যেই পানির এই সংকট থেকে মুক্তি চায় নগরবাসী। দিপন দেওয়ান, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

শ্রীলংকা সফরের জন্য ১৪ সদস্যের দল ঘোষণা : বিসিবির

শ্রীলংকা সফরের জন্য ১৪ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে