দখল-দুষণে বেহাল দশায় সেন্টমার্টিন

অনিয়ন্ত্রিত পযর্টন ব্যবসা, দখল আর দুষণে বেহাল দশা দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার পরও একের পর এক সেখানে গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। এতে হুমকির মুখে জীব বৈচিত্র্যসহ দ্বীপের অস্তিত্ব। নাফ নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে উঠা দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ-সেন্টমার্টিন। জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ দ্বীপটিতে জনবসতি গড়ে ওঠে আড়াইশ’ বছর আগে। ১৯৮০-৯০‘র দশকেও এখানে পাওয়া যেতো বিভিন্ন প্রজাতির প্রবাল, শৈবাল, শামুক-ঝিনুক, কাকঁড়া ও উদ্ভিদসহ নানা সামুদ্রিক প্রাণী। কিন্তু এগুলো আজ হুমকির মুখে। এসব জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল দ্বীপটিকে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়। স্থানীয়দের অভিযোগ ঘোষনার কার্যকর না হওয়ায় হুমকির মুখে জীব বৈচিত্র্য।

সেন্টমার্টিনের জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় করণীয় নিয়ে সভা, সেমিনারসহ নানা কর্মসূচি। হলেও ফল আসেনি। প্রতিকার চেয়ে ২০০৯ সালে আদালতে রিট করে একটি পরিবেশবাদী সংগঠন। শুনানি শেষে সকল স্থাপনা ভেঙে ফেলা ও ভবিষ্যতে আর কোন স্থাপনা তৈরি না করার আদেশ দেয়া হয়। কিন্তু সেই আদেশ কার্যকর হয়নি আজও। প্রধান নিবার্হী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি-বেলা সেন্টমার্টিনের অস্তিত্ব রক্ষায় সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে স্থানীয়রা। বাংলাভিশন নিউজডেস্ক।

You may also like

জেলায় জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনের সংখ্যা বাড়ছে

নোয়াখালীতে সর্দি-কাশি, জ্বর আক্রান্ত হয়ে এক যুবক মারা