ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেনযাত্রা মাত্র ৫৫ মিনিটে

dhaka cumilla chittagong high speed rail

ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা বুলেট ট্রেনের ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে নকশা তৈরির কাজ। আগামী দুই মাসের মধ্যে নকশা তৈরির এই কাজও শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু ঠিক থাকলে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেনে কোনো বিরতি ছাড়াই ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সময় লাগবে কেবল ৫৫ মিনিট। আর ট্রেনটি নির্ধারিত স্টেশনে থামলে সময় লাগতে পারে ৭৩ মিনিট। তবে, বুলেট ট্রেন বিরতিহীন চলবে না বিভিন্ন স্টেশনে থামবে— সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।
এই ট্রেনযাত্রায় ভাড়া লাগবে প্রায় দুই হাজার টাকা। যদিও, ভাড়া নির্ভর করবে প্রকল্পের কাজের সময়সীমার ওপর। প্রকল্পের কাজ শেষ হতে বেশি সময় লাগলে ভাড়ার পরিমাণ বাড়তেও পারে। এই পথ অতিক্রম করতে বিমানেও কাছাকাছি সময় লাগলেও ভাড়া ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন চলবে ঘন্টায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে। প্রতিদিন এই ট্রেনে ৫০ হাজার যাত্রী বহন করা যাবে। প্রাথমিক রুট ম্যাপ অনুযায়ী প্রস্তাবিত রেলপথে চট্টগ্রাম, পাহাড়তলী, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও ঢাকাসহ মোট ছয়টি স্টেশন রয়েছে।
বুলেট ট্রেনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের এই প্রকল্পটির জন্য মোট আনুমানিক ব্যয় হবে প্রায় ১১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৯৬ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা।
দ্রুতগতির এই রেলপথ হবে উন্নত এবং ডাবল ট্র্যাকের। এছাড়া পাথরহীন এই রেলপথটি হবে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রথম বিদ্যুৎচালিত রেলপথ। প্রকল্পটির জন্য ৬৬৮ দশমিক ২৪ হেক্টর জমির প্রয়োজন হবে। তাই এটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ৪৬৪ দশমিক ২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করতে হবে।

You may also like

শিশুদের শিল্প ও সংস্কৃতির চর্চায় উৎসাহিত করার আহ্বান

শিশুদের শিল্প, সংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন