বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ-হামলা, ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ ৬০ পৌরসভার নির্বাচন

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা ও বর্জনের মধ্যদিয়ে ভোট শেষ হয়েছে দেশের ৬০টি পৌরসভায়। চলছে গণনা। ঝিনাইদহের শৈলকুপা, ফেনীর দাগনভূঞা এবং গাইবান্ধায় সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হয়েছেন কয়েকজন। অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন রাজশাহীর ভবানীগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর ও বাগেরহাটের মোংলাসহ বিভিন্ন পৌরসভার বিএনপি প্রার্থীরা।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভা নির্বাচনে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পৌরসভার খুলনা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। ঝাউদিয়া ভোটকেন্দ্র এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা।

এদিকে, ভোট গ্রহণের শুরুতে সংঘর্ষ হয় ফেনীতে। দাগনভূঞার পৌরসভা নির্বাচনে হাসান গনিপুর কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ করে দুর্বৃত্তরা। এতে আহত হন দুই পুলিশসহ অন্তত ১০ জন।

পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে বিএনপির মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম নয়নকে মারধর করে নৌকার সমর্থকরা। পরে পুলিশের সামনেই তাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন বিএনপি প্রার্থী।

গাইবান্ধার পৌর নির্বাচনে সরকারি টেক্সটাইল কেন্দ্রে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় ব্যালট ছিনতাইয়ের অভিযোগ বিএনপির প্রার্থী। এঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। রাজশাহীর আড়ানী, ভবানীগঞ্জ ও কাকনহাট পৌরসভায় ভোট নেয়া হয়। ভবানীগঞ্জ শহীদ সেকেন্দার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে লাঞ্ছিত হন বিএনপির মেয়র প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক। পরে ভোট দিতে না পেরে ভোট বর্জন করেন তিনি।

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভা নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিয়োগ করেন বিএনপির প্রার্থী নূরুল মিল্লাত। হামলা ও অনিয়মের প্রতিবাদে তিনিও ভোট বর্জন করেন।

এদিকে, কেন্দ্র দখলসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ভোট শুরুর দুই ঘন্টা পর মোংলা পৌর নির্বাচনে বিএনপি মেয়র ও কাউন্সিলসহ মোট ১৫ প্রার্থী ভোট বর্জন করেন।

সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকার অভিযোগে মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র আশরাফুল ইসলাম ভোট বর্জন করেন।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি পৌর নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে বিধি লঙ্ঘনের দায়ে এক যুবলীগ নেতাকে ছয় মাসের এবং জেলার শেরপুর পৌর নির্বাচনে এক ব্যক্তিকে সাত দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় দ্বিতীয় দফার পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ।

 

You may also like

ধর্ষণ- মামলাতেই সামলে উঠে ধর্ষক!

নাসরীন গীতি ● হাইকোর্টে পুলিশের পক্ষ থেকে দাখিলকৃত