প্রায় প্রতিদিনই মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ

প্রায় প্রতিদিনই মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ। বার বার একই প্রশ্ন আসছে- কেন থামছে না এই প্রাণহানি ? দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি, ওভারটেকিং, অবৈধ যান চলাচল, মহাসড়কের পাশে বাজার, চালকদের অসর্তকতা। এদিকে, মহাসড়কগুলোতে গাড়ীর গতি নিয়ন্ত্রণে স্পীডগান ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
শাহাদাত বাপ্পীর তোলা ছবিতে গণপরিবহন নিয়ে রিয়াদ তালুকদারের ধারাবাহিক রিপোর্টের আজ দেখবেন প্রথম পর্ব। দেশের সবগুলো মহাসড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা। বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনিস্টিটিউটের তথ্যমতে, মহাসড়কগুলোতে ২০১৭ সালে দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিলো ২৯১৬ টি । এসব দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তিন হাজার তিনশো জনের মতো আর আহত হয় সাত হাজার। কেন এত দুর্ঘটনা তা নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন গবেষণা করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ২০৮ টি ব্ল্যাকস্পট চিহ্নিত করেছে সরকার । যদিও এ নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামায় না ড্রাইভাররা । বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনার বড় কারণ মহাসড়কে নসিমন-করিমনের ধীরগতির যানবাগর চলাচল, অবৈধ হাট-বাজার ।এসবের বিরুদ্ধে প্রশাসন হুশিয়ারি উচ্চারণ করলেও মানছে না কেউই। সড়কে শৃঙ্খলা আনতে ২০০৫ সাল থেকে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ । এ ইউনিটের সীমাবদ্ধতাও রয়েছে । সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে নিয়ন নীতি বা গতিসীমা না মেনেই চলছে যানবাহন । কিন্ত স্পীড মাপার যন্ত্র স্পীডগান চোখে পড়েনি কোথাও । তবে স্পীডগান দেখা গেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে। সড়ক নিয়ে কাজ করা একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন অনুযায়ী দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতির পাশাপাশি চালকদের অদক্ষতা। মহাসড়কে দুর্ঘটনার তথ্য
২০১৭
দুর্ঘটনা – ২৯১৬
নিহত- ৩৩০০
আহত- ৭১৪৫

২০১৮
দুর্ঘটনা – ৩৩২০
নিহত- ৩৭২০
আহত- ৮০৮৫

You may also like

২০ ফেব্রুয়ারি, বুধবার ২০১৯

বেলা ১২:০৫ : বাংলা সিনেমা বিকেল ৫:০০ :