চসিক নির্বাচন: দ্বন্দ্ব-সংঘাত বাড়ছেই

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতায় একজন নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হওয়ার আশংকা করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, ৩৪টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে একাধিক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী থাকায় দ্বন্দ্ব-সংঘাত বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি আওয়ামী লীগ নেতাদের।

চট্টগ্রাম থেকে নাসির উদ্দিনের বিশেষ রিপোর্ট।

মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঠানটুলিতে চসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও ‘বিদ্রোহী’প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আজগর আলী বাবুল নিহত হন। নিহত আজগর আলী বাবুল আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুরের সমর্থক। বুধবার তার ছেলে সেজান মাহমুদ বাদি হয়ে ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন।

মামলায় বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদেরকে এক নম্বর আসামিসহ মোট ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আসামি করা হয় ৩০থেকে ৪০ জনকে। এ ঘটনায় ১৯জনকে আটক করেছে পুলিশ। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আজগর আলীর পরিবারে চলছে শোকের মাতম। তারা এই হত্যাকান্ডে জড়িত প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না, জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। সেইসাথে তিনি আরো জানান, নির্বাচনের আগে ও পরে সহিংসতা যাতে আর না ঘটে সে ব্যাপারেও সজাগ রয়েছে সিএমপি।

কাউন্সিলর পদে ‘বিদ্রোহীপ্রার্থীদের কিছুতেই বশে আনতে পারছে না আওয়ামী লীগ। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নেতারা।

এর আগে, ২০২০ সালের ১৯ মার্চ ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও ‘বিদ্রোহী’প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তানভির জহির নামে একজন নিহত হন।

You may also like

টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের টঙ্গীতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে রিজ উদ্দিন