আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: কীভাবে পালন করে পাকিস্তান?

ছবি: লাহোর প্রেস ক্লাবের বাইরে

জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী, গত বেশ ক’বছর ধরেই বিশ^ব্যাপী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

কিন্তু ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে যে দেশটির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছিলো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ, সেই পাকিস্তানে কি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়? হলে কীভাবে হয়?

ছবি: পাঞ্জাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের র‍্যালি

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয় পাকিস্তানে। করাচি, ইসলামাবাদ কিংবা লাহোর শহরে ঘটা করেই পালন করা হয়। এই উপলক্ষে কিছু সেমিনার হয়। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু আলোচনাও হয়। প্রভাত ফেরীর আয়োজনও দেখা যায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে। বছর কয়েক আগে ২১ ফেব্রুয়ারির আগে একটি সাহিত্য উৎসবও হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু কেন ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়, কী ঘটেছিলো ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, সে ব্যাপারে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ এবং স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের স্বচ্ছ ধারণা নেই। কেবল ১৯৫২ সালে উর্দুর মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা এবং একটি ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে কিছু ধারণা রয়েছে তাদের। দেশটির পাঠ্যক্রমেও এ বিষয়ক পূর্ণ ইতিহাসের অনুপস্থিতি রয়েছে।

ছবি: পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের র‍্যালি

উল্লেখ্য, বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ পাকিস্তানে বর্তমানে প্রায় ৭০টির মতো ভাষার চর্চা রয়েছে। তবে এসব ভাষার সঠিক চর্চা এবং সব গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় লেখাপড়ার সুযোগ নেই দেশটিতে।

বিভি/ইই/এমএইচকে

You may also like

করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৬১৯ জন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও সাত জন