৬৯ বছরেও মেলেনি ভাষা সংগ্রামী গোলাম মোস্তফা রতনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

ভাষা সৈনিক গোলাম মোস্তফা রতনঃ আমৃত্যু ছিলো অতৃপ্তি, পাননি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

১৯৪২ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের গোপন চিঠি বহন করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়ার কারনে কারাভোগ এবং পরে মায়ের ভাষাকে গ্রাস করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন মাদারীপুরের ভাষা সংগ্রামী গোলাম মোস্তফা রতন। সরকারী স্বীকৃতি জোটেনি এই ভাষা সৈনিকের ভাগ্যে। এই অতৃপ্তি নিয়েই ২০১৯ সালে ১৭ জুলাই ৯৬ বছর বয়সে পৃথিবী ছাড়েন এই সংগ্রামী সৈনিক।

মাদারীপুর প্রতিনিধি ফরিদ উদ্দিন মুপ্তির রিপোর্ট।

১৯৫২ সালে বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া হয়েছিল বাংলার আপামর ছাত্র-জনতা। একাত্মতা ঘোষণা করে আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। ‘৫২ এর ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে গেলে কার্জন হলের সামনে পুলিশ গুলি চালায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন, গোলাম মোস্তফা।

মুক্তিযুদ্ধে শিবচর অঞ্চলের অন্যতম সংগঠক ছিলেন, এ ভাষা সৈনিক। ২০১২ সালে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ভাষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় একটি সম্মাননায় ভূষিত করা ও এলাকায় একটি ব্রীজ তার নামে নামকরণ ছাড়া হয়নি কিছুই। মাদারীপুরের উমেদপুর ইউনিয়নের চররামরায়েরকান্দি গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে পৃথিবী ছেড়ে চিরনিন্দ্রায় শুয়ে আছে মাদারীপুরের গর্ব ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিক গোলাম মোস্তফা রতন।’ তার স্মৃতি নিয়ে এখনো পরিবারকে সময় দেয় শহীদ রতনের স্ত্রী।

স্থানীয়দের দাবি, সংগ্রামী এ সৈনিক জীবিত অবস্থায় দেখে যেতে পারেনি তবে তার পরিবার ও দেশবাসী যেন এই স্বীকৃতিটা দেখতে পারে।

যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানোর কথা বলেন, জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন।

বিভি/এনজি

You may also like

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে নয় বিশিষ্টজন ও এক প্রতিষ্ঠান

দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার এবারের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন