অবশেষে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে নারায়ণগঞ্জ

এবার জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ী মুক্তি পাবে নারায়ণগঞ্জবাসী; কর্মযজ্ঞ দেখে আশ্বাস দিয়েছেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা মিলিয়ে ডিএনডি এলাকার পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা চালু হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে । এদিকে, খাল ও খাস জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর হবার হুশিয়ারি দিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী। নারায়ণগঞ্জ থেকে ফিরে রিপোর্ট করছেন সানজিদ আহমেদ, ক্যামেরায় ইনামুল হাবিব রুবেল। গ্রীষ্ম কি বর্ষা! নারায়ণগঞ্জবাসীর বছর জুড়ে সমস্যার নাম জলাবদ্ধতা। বন্যা নিয়ন্ত্রন, নিস্কাশন ও সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে ১৯৬২ সাল থেকে থেকে ৬৮ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা-ডিএনডি প্রকল্প। খাল দখলের পাশাপাশি নিস্কাশন ব্যবস্থা যথাযথ না হওয়ায় দুর্ভোগে পড়তে হয় নারায়ণগঞ্জ ও ডেমরাবাসীর।

পুরোদমে চলছে ৫৫৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ডিএনডির পানি নিস্কাশন ব্যবস্থার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জ যান পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। এ প্রকল্পের মধ্যে দখলমুক্ত ও উন্নয়ন করা করা হবে ৯৪ কিলোমিটার খালের। তৈরি হবে ১৩ কিলোমিটার ওয়াক ওয়ে, ৭৯টি কালভার্ট এবং ১২টি ব্রীজ। খাল পরিদর্শনে গিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে প্রয়োজনে সরকার আরো কঠোর হবে। আগামী এপ্রিল থেকেই নারায়ণগঞ্জবাসী এই প্রকল্পের সুফল পাবে বলে জানান পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুলল হক শামীম।  ডিএনডি এলাকার দ্বিতীয় পর্যায়ে নিস্কাশন ব্যবস্থার কাজ শেষ হতেই শুরু হবে তৃতীয় পর্যায়ের কাজ। সেটি শেষ হলে নারায়ণগঞ্জ হবে বাংলাদেশের রোল মডেল, জানান প্রকল্প পরিচালক। এদিকে, প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা।  ২০২০ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবার কথা ডিএনডি এলাকার দ্বিতীয় পর্যায়ের নিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ। এরপর শুধু নারায়ণগঞ্জে নয়, কমবে ঢাকা ও ডেমরার জলাবদ্ধতাও।

You may also like

শ্রীলঙ্কার বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১০

শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় সিরিজ বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা