ফণির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত

আতঙ্ক বাড়ছে উপকূলে। ঘুর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকায় দমকা বাতাসসহ বৃষ্টি হচ্ছে। নদ-নদীতে বেড়েছে জোয়ারের পানির চাপ। পটুয়াখালী ও বাগেরহাটে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল। বাগেরহাটে ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে মারা গেছে এক নারী। প্রচণ্ড ঝড়ের সাথে বৃষ্টিও নেমেছে খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে। ফণী আঘাত হানার শঙ্কায় ,মংলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। বন্ধ রাখা হয়েছে মোংলা বন্দরের সকল কার্যক্রম। ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে দুপুর থেকে বাগেরহাটে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। থেমে থেমে দমকা বাতাসে আতঙ্ক বাড়ছে উপকূলে। শরণখোলায় আগে থেকে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধের অংশে বলেশ্বর নদ উপচে তিনটি গ্রাম তলিয়ে গেছে। ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে সাতক্ষীরায়ও। নিরাপদে রাখা হয়েছে সব মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে।

আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে। এদিকে, ঝড়ের শঙ্কায় চট্টগ্রামে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসনসহ অন্যান্য সংস্থা। প্রস্তুত করা হয়েছে দুই হাজার সাতশ’ ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। বন্দরের সব ধরণের অপারেশনাল কার্যক্রমও বন্ধ। ফণীর প্রভাবে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জোয়ারের পানি ভাঙা বেড়িবাঁধ উপচে তলিয়ে গেছে মেন্দিয়াবাদ ও চরখালী গ্রাম। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে নেয়া হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রে। বরিশাল থেকে সবধরণের নৌ যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফণীর প্রভাবে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে দ্বীপ জেলা ভোলায়ও। এদিকে, রাজশাহীতেও চলছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ফণী’ মোকাবেলায় সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করে বার বার সতর্ক করা হয়েছে। ফণী মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিয়েছে নোয়াখালী ও কক্সবাজারের প্রশাসনও।

 

You may also like

১৮ সেপ্টেম্বর, বুধবার ২০১৯

বেলা ১২:০৫ : বাংলা সিনেমা বিকেল ৫:২০ :