রেড জোন চিহ্নিত করে দ্রুত লকডাউন কার্যকর হবে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসনকে করোনার ওষুধ বলে বেশি প্রচার করলে মানুষ ভাইরাস প্রতিরোধের কথা ভুলে যেতে পারে, এতে বাড়তে পারে বিপর্যয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, এ ওষুধ শুধু গুরুতর অসুস্থ রোগীর জন্য। না জেনে, না বুঝে এ ওষুধ খেলে রক্তক্ষরণ বা অস্বাভাবিক মুটিয়ে যাওয়ার মতো নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ডেক্সামেথাসন স্টেরয়েড ব্যবহারে বারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিভিন্ন দেশে অনেক ওষুধেরই পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়ে আসছে। সেই তালিকায় যোগ হলো স্টেরয়েড ওষুধ ডেক্সামেথসন। যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ওপর ডেক্সামেথসন ব্যবহার করে, বেশ সফলতা এসেছে। ওই গবেষণা বলছে, এই ওষুধ ব্যবহার করলে ভেন্টিলেটারে থাকা রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি এক-তৃতীয়াংশ কমানো যাবে।

ডাক্তাররা বলছেন, ডেক্সামেথাসন যেহেতু স্টেরয়েড, এর উপকারের মতো ক্ষতিও আছে। নিজেদের মতো করে ব্যবহার করতে গেলে বিপদ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আইসিইউতে কাজ করেন এমন দুজন ডাক্তার জানিয়েছেন, তারা আগে থেকেই বিভিন্ন রকমের স্টেরয়েড ব্যবহার করে আসছেন। ডেক্সামেথাসন নিয়ে বাড়তি হুজুগের বিপক্ষে তারা। চিকিৎসক নেতারা বলছেন, করোনা একটি ভাইরাল রোগ। ভ্যাকসিন ছাড়া এ থেকে মুক্তি নেই। ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত এটা প্রতিরোধই একমাত্র পথ। যে কোন ওষুধের নাম উঠলেই তার পক্ষে সাফাই গাওয়া মানে সংক্রমণ প্রতিরোধের উগ্যোগকে কমিয়ে দেয়া।  এদিকে, কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসায় আইভারমেকটিন নামের একটি ওষুধের পরীক্ষামূলক গবেষণা শুরু করেছে আইসিডিডিআরবি।হাসপাতালে ভর্তি বয়স্ক করোনা রোগীদের ওপর এটি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য ঢাকার চারটি হাসপাতালের ৭২ জন রোগীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরিফুল হক, বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

হাওরে ট্রলার ডুবিতে দুই শিশুসহ ১৭ জনের প্রাণহানী

নেত্রকোনায় মদনের রাজালিকান্দা হাওরে ট্রলার ডুবে কমপক্ষে ১৭