এ বছর ৪০ শতাংশ পশু কম কোরবানী হবে: ট্যানারি মালিকরা

করোনার কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অন্তত ৪০ শতাংশ পশু কম কোরবানী হবে বলে ধারনা করছেন, আড়তদার ও ট্যানারি মালিকরা। আসন্ন কোরবানীতে আড়তদার ও ট্যানারি মালিকরা চামড়া কিনতে ব্যাংকগুলোর দিকেই চেয়ে আছেন বলে জানিয়েছেন। গত বছর কোরবানীর চামড়ার দাম না পেয়ে অনেকেই তা ফেলে দেয়, এমনকি মাটির নীচে পুতে ফেলার মতো ঘটনাও ঘটে। যা চামড়া শিল্পের ইতিহাসে এক রকম দু:স্বপ্নই। এ জন্য ট্যানারি মালিক ও আড়তদাররা পরস্পরকে দোষাদোষীর মধ্যে নিঃস্ব হয়েছেন অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী। এবারো তা কি ঘটতে পারে? এমন প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্টরা এখনো কোন আশার কথা শুনাতে পারেননি। তারা বলছেন, সব কিছুই নির্ভর করছে ব্যাংক থেকে লোন ওপরই।

গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতায়, দাম নিশ্চিতে সরকার এবার রফতানির অনুমতি দিতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন।  প্রতিবছর কোরবানীতে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ পিস পশুর চামড়া পাওয়া যায়। তবে এবার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী পশু কোরবানী হবে না বলেই মনে করেন আড়তদাররা।  আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৫০ সেন্ট থেকে দেড় মার্কিন ডলার। যা টাকায় দাঁড়ায় ৪৩ থেকে ১২৯ টাকা। আর গতবছর প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার নির্ধারিত দর ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এবার তার চেয়ে কম দাম নির্ধারণের সুপারিশ রয়েছে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের।

You may also like

২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। বেলা ১১:০২