আঞ্চলিক, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন ধাপে পৌছাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

আঞ্চলিক, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন ধাপে পৌছাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কারণ বিদ্যুৎ-জ্বালানির বাণিজ্যে বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হচ্ছে ভারত।  বিদ্যুৎ আমদানির পাশাপাশি ভারত থেকে তেল-গ্যাসও আনতে চায় সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর চলতি সফরেই এসব বিষয়ে সহযোগিতা চুক্তি সই হতে পারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে। এছাড়া ভূটান ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনতে ভারতের করিডোর ব্যবহারের অনুমতিও মিলতে পারে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরেই।

বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে প্রায় সাত বছর পরে ভারত সফরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এই সফরে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে তেত্রিশটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা। এরমধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এগারটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক রয়েছে। সই হওয়ার কথা রয়েছে রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ঋণচুক্তি।

তালিকায় আছে, ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানি, বাংলাদেশ-ভারত-ভূটান-নেপাল চতুর্দেশীয় বিদ্যুৎ গ্রিড নির্মাণ, জ্বালানি তেল আমদানি এবং খনিজ অনুসন্ধানে যৌথ জরিপের বিষয়টি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলছেন, আঞ্চলিক সহযোগিতায় আরো শক্তিশালী হচ্ছে বাংলাদেশ।

তারপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতার কথাও জানালেন প্রতিমন্ত্রী। অন্যদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পাশাপাশি সহযোগিতার কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা ভবিষ্যতে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা।

You may also like

‘কান’-এর রেড কার্পেটে রূপকথা তৈরি করলেন ঐশ্বর্যা

৭০তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে ঐশ্বর্যাকে দেখে