মশার কয়েলে বারোটা বাজছে ফুসফুস, হার্টের

গরম পড়তেই মশার উপদ্রব? মশারি টাঙানোর অভ্যাস নেই। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার মতো বিপজ্জনক সব রোগের হাতছানি। মশা মারার কয়েলে মারাত্মক ক্ষতি। বারোটা বাজছে ফুসফুস, হার্টের।
ডেঙ্গু। জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পিছনে ব্যথা, মাংসপেশিতে ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা। এছাড়া র‍্যাশ, বমি বমি ভাব। ম্যালেরিয়া। পি ফ্যালসিফেরাম সবচেয়ে প্রাণঘাতী। মাথায় আক্রমণ করে। মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এনসেফেলাইটিস। সংক্রমণের পর রোগটি কেন্দ্রীয় নার্ভাস সিস্টেমে ঢুকে পড়ে। মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডে বাসা বাঁধে। মৃত্যু হতে পারে। চিকুনগুনিয়া। এডিস ইজিপটাই মশার আক্রমণে এই রোগটি হয়। মাথাব্যথা, জ্বর, উদ্যমহীনতা,বমিভাব, মাংসপেশিতে ব্যথা ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা। লিমফেটিক ফাইলেরিয়াসিস। মারাত্মক ইনফেকশন। মানুষের পা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকগুণ ভারী হয়ে যায়।মশা মারতে আপনি তো আর বাড়িতে কামান দাগতে পারেন না। অগত্যা মশা মারার কয়েল। সেই কয়েল ব্যবহার করে মশা মারতে গিয়ে ডেকে আনছেন নিজের মৃত্যু। শ্বাসকষ্ট। কাশি। ফুসফুসের সমস্যা। ফুসফুসের ক্যানসারের সম্ভাবনা ৪০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। কয়েলের সূক্ষ্ম গুঁড়ো শ্বাসনালি এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে জমা হয়। বিষাক্ত সংক্রমণ।

দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়ানক ক্ষতি হয়। মানুষের শরীরে স্লো পয়জনিং করে। হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় সমস্ত মশার কয়েলেই থাকে অ্যালেট্রিন। এটি মস্তিষ্ক ও রক্তের ভেদ্যতা বাড়িয়ে দেয়। কয়েলের ধোঁয়া শিশুদের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

তাহলে উপায়? উভয় সঙ্কটে পড়লেন তো? সাপ মরবে, লাঠিও ভাঙবে না, তার উপায় কী? মশা মারতে ঘরোয়া টোটকা।

You may also like

সাইবার হামলার সম্ভাব্য ক্ষতি ১২ হাজার কোটি ডলার!

বিশ্বব্যাপী সাইবার আক্রমণের পরিমাণ এখন এতোটাই বেড়েছে যে