ত্রুটিপূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন ও পোস্ট মর্টেম রিপোর্টের কারণেই বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় হাইকোর্টে কিছু আসামির মৃত্যুদন্ড বাতিল হয়েছে

কিংবা সাজা কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। তাদের মতে, তদন্তে আদালত সন্তুষ্ট হতে পারেনি, সেকারণেই আসামিরা আইনি ভাষায় বেনিফিট অব ডাউট- এই সুযোগটি পেয়েছে। অবশ্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর আশা, সর্বোচ্চ আদালতে দোষীরা সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আসবে।

ুরান ঢাকায় দরজি দোকানি বিশ্বজিৎ হত্যায় জড়িত থাকায় ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২১ আসামির মধ্যে আটজনকে ফাঁসি ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-চার।

বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ড পাওয়া আটজনের মধ্যে শাকিল আর রাজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল আছে। খালাস পেয়েছে সাইফুল আর কাইয়ুম। যাবজ্জীবন হয়েছে নাহিদ, এমদাদ, শাওন ও লিমন- এই চার জনের। আর যাবজ্জীবন থেকে খালাস পেয়েছে মোস্তফা আর কিবরিয়া। বিচারিক আদালতের রায় হাইকোর্টে কেন বহাল থাকলো না? রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ময়না তদন্ত আর পুলিশী তদন্ত হয়তো ঠিক ছিলো না।

তদন্ত প্রতিবেদনে ত্রুটি কেন হলো তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি ফরেনসিক রিপোর্টে ডাক্তারের কোন গাফিলতি আছে কি না তা তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে। এসব তদন্ত ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে আইনজীবী মনজিল মোরশেদকে দায়িত্ব দিয়েছে হাইকোর্ট।

২০১২ সালের ৯ডিসেম্বর বিরোধী জোটের অবরোধ চলার সময় পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাশকে প্রকাশ্যে নৃসংশভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী।

You may also like

নওগাঁর মান্দায় ট্রাক উল্টে ছয়জন নিহত

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, সকাল