বেগুনের ওজন দেড় কেজি !

দেশে বেগুন চাষাবাদে নতুন এক মাত্রা যোগ করলেন পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যান তত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। বারী বেগুন ১২ নামের এই বেগুনের জাতটি এরইমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে অনুমোদন পেয়েছে। অন্য বেগুনের থেকে আকারে বেশ বড় সাইজের এই বেগুনগুলো সবুজ এবং কালো রং- এ পাওয়া যাবে। এই বেগুনের চাষাবাদ ছড়িয়ে দিতে পারলে কৃষি অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি কে এম শাহাদাত হোসেনের রিপোর্ট।

হঠাৎ করে দেখলে ঠিক বোঝার উপায় নেই এটি বেগুন নাকি লাউ। আকারে বেশ বড় সবুজ এবং কালো দুই রং এর এই বেগুন উদ্ভাবন করেছেন পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যান তত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ উপকূলের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিশেষ করে লবণাক্ততা সহনশীল জাত হিসেবে দীর্ঘ পাঁচ বছর গবেষণা করে এই জাতটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। প্রতিটি বেগুন আকারে এক থেকে প্রায় দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই বেগুনে বিচির পরিমাণ অনেকটা কম এবং সব্জী নরম হওয়ায় এটি খেতেও অন্যসব বেগুণের থেকে সুস্বাদু। এছাড়া, ওপেন পলিনেটেড হওয়ায় কৃষকরা উৎপাদিত বেগুন থেকেই বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন বলেও জানান কৃষি বিজ্ঞানীরা।

এই বেগুন একর প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ টন পর্যন্ত ফলন হয়ে থাকে বলে জানান সংস্থার লেবুখালীর আঞ্চলিক উদ্যান তত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.মোঃ ইদ্রিস আলী হাওলাদার। অধিক ফলন এবং রোগবালাই কম হওয়ায় কৃষকরা এই বেগুন চাষে অধিক লাভবান হবেন বলে মনে করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউটের গবেষণা বিভাগের পরিচালকও।

এ বছরের ২৬ জুন বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অনুবিভাগ থেকে বারী বেগুন-১২ নামের জাতের এই জাতটির সনদ প্রদান করে।

 

You may also like

টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের টঙ্গীতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে রিজ উদ্দিন