আশায় বিনিয়োগকারীরাঃ ১০ বছরের খরা কাটবে এবার?

দীর্ঘ ১০ বছরের হতাশা কাটিয়ে শেয়ারবাজার নিয়ে এখন যেন, প্রতিদিনই প্রত্যাশা বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজার সামনে যাওয়ার যৌক্তিক ভিত্তি আছে। তবে জোয়ারে দূর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে গেলে, বিনিয়োগকারীরা আবারো ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।

জি এম আহসানের বিশেষ রিপোর্ট।

বছরের প্রথম কার্যদিবসেই যেন নতুন আলোর দেখা মেলে শেয়ারবাজারে। একদিনেই ডিএসইর প্রধান সূচক বাড়ে ২১৬ পয়েন্ট। আর লেনদেনের বড় ধরণের দেখা পায় ৫ জানুয়ারিতে, লেনদেন হয় দুই হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। এখনো সেই ধারাবাহিকতায় রয়েছে শেয়ারবাজার। পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বর্তমান শেয়ারবাজার প্রত্যাশিতভাবেই সামনের দিকে এগুচ্ছে। তবে এ ধারা ধরে রাখতে হলে ভালো কোম্পানিকে বাজারে আনতেই হবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসির বর্তমান নেতৃত্ব বেশ কিছু দূর্বল কোম্পানির অনুমোদন দেয়নি। এটি খুবই ভালো সিদ্ধান্ত। বাজারে যেনোতেনো কোম্পানিকে আর আসতে দেয়া কোনভাবেই ঠিক হবে না বলেও মনে করেন এই পুঁজিবাজার বিশ্লেষক।

ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, ২০১০ সালের পর কয়েকবার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি। তবে এবার আশার আলো দেখা যাচ্ছে। কারণ বিএসইসি ও বাংলাদেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান নেতৃত্ব সত্যিকারভাবে চাচ্ছেন শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াক। সেভাবেই তারা কাজ করছেন। বিনিয়োগকারীও তাদের আস্থায় নিতে পেরেছেন বলে মনে করেন আহমেদ রশিদ লালী।

২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় গ্রামীণফোন। সেসময় বাজার সামনে এগুনোর নেতৃত্ব দিয়েছিল কোম্পানিটি। কাকতালীয়ভাবে ২০২০ সালে শেয়ারবাজারে যুক্ত হয়েছে একই খাতের রবি আজিয়াটা। যদিও শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বমুখীর প্রবণতার পেছনে কোম্পানি দুইটির ভূমিকা খুঁজছেন না বিশ্লেষকরা।

করোনাকালেই শেয়ারবাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। তাই বাজার আরো সামনের দিকেই এগুবে- এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

You may also like

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শাম্মী আক্তারের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

গানের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র শাম্মী আক্তার, বছর দুই