যুবকের চোখ উপরে ফেলার চেষ্টা, চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ

বাগেহাটের শরনখোলায় মো.সাইফুল মোল্লা (৩৫) নামের এক ব্যক্তির দুই চোখ উপরে ফেলার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশের দাবি, আহত সাইফুলের বিরুদ্ধেও শরণখোলা থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের মঠের পাড় এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয় পাশের এলাকার ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর তালুকদার। আহত সাইফুল মোল্লা শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামের নুরু মোল্লার ছেলে।

পার্শ্ববর্তী এলাকার ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর তালুকদার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মঠের পাড় এলাকায় একটি মাঠে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা সাইফুলকে উদ্ধার করে শরনখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন তিনি। এর চেয়ে বেশিকিছু জানা নেই তার।

রাজৈর এলাকার ইউপি সদস্য রহিম হাওলাদার বলেন, “সাইফুল মোল্লা এলাকায় চুরি ও ছিনতাই করত। সাইফুলের খারাপ কাজে অতিষ্ট হয়ে এলাকাবাসী ওর উপর হামলা করেছে আমি এর থেকে বেশি জানি না”।

স্থানীয় চকিদার আসলাম বলেন, সাইফুলের দুই ভাই তারা চট্টগ্রাম থাকে। বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছে। তাদের খুঁজে পাচ্ছি না।

চিকিৎসাধীন সাইফুল মোল্লা বলেন, “আমি যদি কোন অপরাধ করি, তার বিচারের জন্য আইন ছিল। তারা আওয়ামী লীগের ক্ষমতা পেয়ে যা খুশি তাই করবে। এটা কোন আইনে বিচার করবে। ইউনুস, আবুল ও রমজানসহ অনেকেই আমার উপর এই হামলা করেছে”।

শরণখোলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ এস এম ফয়সাল আহমদ বলেন, “সাইফুলের দুই চোখে জখম রয়েছে। বাম পা ভেঙ্গে গেছে। আমরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে বলেছি”।

শরণখোলা থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান জানান, চোখ উপরে ফেলার বিষয়টি জেনে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সাইফুল শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীণ রয়েছে। তার বাবা বা পরিবারের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। তিনি আরও বলেন, “সাইফুল ইসলামের সম্পর্কে এলাকার মানুষের একটি খারাপ ধারণা রয়েছে। তার নামে শরণখোলা থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ডাকাতির প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন আইনে ১৬টি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন মামলায় আমরা ২০ বারের অধিক সময়ে তাকে আদালতে সোপর্দ করেছি”।

You may also like

বাইডেন-ট্রুডো’র প্রথম বৈঠক

প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন