ঈদে বাংলাভিশনের পর্দায় বিশেষ টেলিফিল্ম-গল্লির মাস্টার মিঞা ভাই

শাহ্জাহান সৌরভ-এর চিত্রনাট্য ও গোলাম সোহরাব দোদুল-এর পরিচালনায় টেলিফিল্ম ‘গল্লির মাস্টার মিঞা ভাই’ বাংলাভিশনে প্রচার হবে ঈদের ৪র্থ দিন বেলা ২টা ১০ মিনিটে। টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু, তানজিন তিশা, নীলয় প্রমুখ।

কাহিনী সংক্ষেপ: মিঞা ভাইকে চেনে না; নাজিরা বাজারে এমন লোক পাওয়া যায় না। কারণ, মিঞা ভাইয়ের পরোপকারী স্বভাব, বাহারী চরিত্র আর মজার সব ঘটনা। চল্লিশোর্ধ্ব এই মিঞা ভাই চিরকুমার। মিঞা ভাইয়ের জীবনের নাহার এসেছে। খুব কোমলমতী, মিষ্টি এই মেয়েটাকে প্রথম দেখাতেই ভাল লেগেছে মিঞা ভাইয়ের। দিনে দিনে যখন নাহারকে আবিষ্কার করা হয় তখন আর মুগ্ধ হন মিঞা ভাই। বিয়ে তিনি করবেন, নাহারকেই করবেন। কিন্তু ইংলিশ রোড পার করার পরই যে নাহার হিজাব খুলে টপস আর জিন্স পরে, বন্ধুর বাইকে নতুন ঢাকায় ঘুরে বেড়ায় দিন-মান; এটা তখনই জানতেন না মিঞা ভাই।
রাইজিং ইয়াং স্টার ক্লাবের জুম্মন আর সরফরাজ মিঞা ভাইয়ের সাথে নাহারের সম্পর্ক আর বিয়ে ঘটিয়ে দেয়ার জন্য প্রস্তুত। সে সুবাদে নাহারের বাবার সঙ্গে কথা বলতে চায় তারা কিন্তু মিঞা ভাই আগে চান, নাহারের মন জয় করতে। শেষ পর্যন্ত নাহারের বাবার সাথেই কথা হয় এবং নাহারের বাবা একবাক্যে রাজি হয়ে যান। কিন্তু পরদিন সকালেই নাজিরাবাজার থেকে ইংলিশ রোড পর্যন্ত সব দেয়ালে, দেয়ালে এমনকি লোকের হাতে, হাতে লিফলেট ছড়িয়ে পড়ে একটা। সেখানে মিঞা ভাইয়ের সাথে একটি মেয়ের বিয়ের ছবি দেখা যায়। এতে মিঞা ভাইয়ের সাধের বিয়ে তো ভেঙেছেই; এলাকায় মুখ দেখানোর জো রইলো না তার। এই নিয়ে ভীষণ মনোঃকষ্টে আছেন মিঞা ভাই। মিঞা ভাইয়ের এই কষ্ট সহ্য হচ্ছিল না জুম্মন আর সরফরাজের। তারা প্রথমে ছবির এই মেয়েটিকে খুঁজে বের করতে উদ্বুদ্ধ হয় এবং নাটকীয় ঘটনার ভেতর দিয়ে মেয়েটিকে আবিষ্কার করা গেল কিন্তু সেটাই শেষ নয়। মেয়েটি সবার সামনে জানায়, মিঞা ভাইকে সে চেনে না। তবে, ওখানকার এক উকিল চিনে ফেলে মেয়েটাকে। বাকীটা জানা যাবে টেলিফিল্মের শেষে।

– গুলশান হাবিব রাজীব

You may also like

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ; সিইসি’র

নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে সহকারি রিটার্নিং