ঈদে বাংলাভিশনের পর্দায় বিশেষ নাটক- একটু হাসো

মাবরুর রশিদ বান্নাহ’র রচনা ও পরিচালনায় নাটক ‘একটু হাসো’ বাংলাভিশনে প্রচার হবে ঈদের ৫ম দিন রাত ৭টা ৫০মিনিটে। নাটকে অভিনয় করেছেন তাহসান, তিশা প্রমুখ।

কাহিনী সংক্ষেপ: তিশার বাবা ব্যবসায় বড় ধরনের লস হয়, তিনি স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে যান। এরপর তিশাদের সংসারে শুরু হয় অর্থনৈতিক টানপোড়ন। একটা সময় তিশার মা ও বাবা তিশাকে বিয়ে দেবার চিন্তা করে। তিশা এখনই বিয়ে করতে রাজী হয় না কিন্তু বাবার কথা ও পরিবারের কথা চিন্তা করে রাজী হয়। তিশার বাবা তার বন্ধুর ছেলে ফারহানের সাথে তিশার বিয়ে ঠিক করে। এরপর তিশার বাবা-মা তিশাকে ফারহানের সাথে ঘুরতে যেতে বলে যেন তারা আগে থেকেই একে অপরকে জানতে পারে।
তিশা ফারহানের সাথে ঘুরতে যায়। ওদের গাড়ির পাশে তাহসান একটি বাইক নিয়ে এসে দাড়ায়। তাহসান এদিক ওদিক তাকাতে একসময় তিশার দিকে তাকায়। তিশার মন খারাপ দেখে তাহসান ভাবে এতসুন্দর একটা মেয়ে মন খারাপ করে আছে কেন? তাহসান বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গি করে তিশাকে হাসানোর চেষ্টা করে কিন্তু তিশা হাসে না। অনেকক্ষণ পরে তিশা হাসে। সিগনাল ছেড়ে দেয়। ফারহান তিশাকে নিয়ে একটা পার্কে যায়। এমন সময় তাহসান আসে। ফারহান জিজ্ঞাসা করে কে তুমি? স্যার আমি তাহসান। ফারহান রেগে বলে, আমার কাছে কি চাও? তাহসান বলে স্যার আমি কুরিয়ার সার্ভিসে জব করি। একবার আপনার অফিসে একটা পার্সেল নিয়ে গিয়েছিলাম। আপনি আমাকে ৫০০ টাকা বকশিস দিয়েছিলেন। আপনাকে দেখলাম তাই সালাম দেবার জন্য আসলাম। তাহসান পকেট থেকে ওর একটা ভিজিটিং কার্ড বের করে বলে, কখনো কোন কিছু পার্সেল করতে হলে ফোন করবেন। ফারহান তিশাকে নিয়ে তিশার বাসায় রেখে চলে আসে। পরের দিন তিশা কলিংবেল শুনে দরজা খুলে দেখে তাহসান একটা বড় বক্স হাতে দাড়িয়ে আছে। বাকীটা জানা যাবে নাটকের শেষে।

– গুলশান হাবিব রাজীব

You may also like

কুড়িগ্রামে দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বিসিক শিল্প নগরীর এলাকা থেকে