বনানীতে চিরনিদ্রায় মোহাম্মদ নাসিম

চির নিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকালে প্রথমে সোবহানবাগে পরে বনানী কবরস্থানে সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয় তার দ্বিতীয় জানাজার নামাজ। সেখানে রাষ্ট্রপতির ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদের সামরিক সচিব নাসিমের কফিনে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া দলের সর্বস্তরের কর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মোহাম্মদ নাসিম।

এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক মোহাম্মদ নাসিমের অন্তিম যাত্রা। যে যাত্রায় শরীক হতে সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন বনানী কবরস্থানে। যেখানে অনুষ্ঠিত হয় তার দ্বিতীয় জানাজার নামাজ।
মোহাম্মদ নাসিমের কফিনে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদের স্ব-স্ব সামরিক কর্মকর্তারা। পুলিশের বিউগলের করুণ সূরের সাথে সাথে গার্ড অব অনার প্রদান করে ঢাকা জেলা প্রশাসন। স্বশস্র সালাম জানিয়ে শেষ বারের মতো বিদায় জানানো হয় মুক্তিযোদ্ধের এই সংগঠককে।

এরপর একে একে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, কৃষকলীগসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতারা। অসুস্থ্য হলেও হাতে ক্যানোলা নিয়ে মোহাম্মদ নাসিমের কফিনের পাশে শেষ বারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার জাফরউল্লাহ চৌধুরী। করোনা পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে জানাজা অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও নাসিমের অন্তিম যাত্রায় নেতাকর্মীদের ভালবাসার কাছে হেরে যায় সামাজিক দূরত্ব।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতি মোহাম্মদ নাসিমের ত্যাগ ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বাবার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন মোহাম্মাদ নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয়। এর আগে ধানমন্ডির সোবহানবাগ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম জানাজার নামাজ।

রক্তচাপ জনিত সমস্যা নিয়ে গত পহেলা জুন হাসপাতালে ভর্তি হন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সেদিনই তার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্যও হয়ে ওঠেন আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য। পরে পাঁচ জুন আইসিইউ’তে থাকা অবস্থায় হঠাৎ তার স্ট্রোক হয়। ১৩ জুন সকালে চলে যান না ফেরার দেশে।

 

You may also like

বাঁধাকপি বিদেশে রফতানি, খুশি চাষীরা

বাংলাদেশের বাঁধাকপি এখন বিদেশে রফতানি হচ্ছে। এরই মধ্যে