ভ্যাকসিনের দিকে মুখিয়ে আছে পুরো বিশ্ব

করোনা মহামারি থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিনের দিকে মুখিয়ে আছে পুরোবিশ্ব। এখনো টিকা অনুমোদন না পেলেও তা কেনার প্রতিযোগিতায় নেমেছে ধনী দেশগুলো। টিকা বা ভ্যাকসিন কিনতে অর্থ সংগ্রহে নেমেছে বাংলাদেশও। তবে, ২০২১ সালের আগে ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তারওপর চ্যালেঞ্জ রয়েছে নিয়মিত টিকা দান কর্মসূচির পাশাপাশি করোনা ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও সংরক্ষেণ নিয়েও।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ল্যান্ডস্কেপ ডকুমেন্ট বলছে, ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন তালিকায় মোট ৪২টি এবং প্রি-ক্লিনিক্যাল তালিকায় ১৫৬টি করোনা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট রয়েছে। এরমধ্যে দশটির অগ্রগতি বেশ সন্তোষজনক। আইসিডিডিআরবি’র এমিরেটাস বিজ্ঞানী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. ফেরদৌসী কাদরী বলছেন, ভ্যাকসিন পাওয়ার সব চেষ্টাই করছে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিন পাওয়ার পর সেটির সংরক্ষণ, সরবরাহ ও কর্মসূচির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে বাংলাদেশকে। অগ্রগতির তালিকায় থাকা ভ্যাকসিনের বৈজ্ঞানিক তথ্য পর্যালোচনায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে নিতে হবে কমপক্ষে দু’টি ডোজ । আবার দু’টি ডোজ নিলেই করোনা আর হবে না- এর নিশ্চয়তাও নেই। তাই স্বাস্থ্যবিধি মানার চর্চাই মূল ভরসা।

দাতব্য সংস্থা অক্সফামের এক প্রতিবেদন বলছে, ২০২২ সালের আগে বিশ্বের প্রায় ৬১ শতাংশ মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌছাবে না। কারণ, এরইমধ্যে ধনী দেশগুলো সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের উৎপাদন সক্ষমতার ৫১ শতাংশই কিনে ফেলেছে।

রিশান নাসরুল্লাহ
বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

বসুরহাটের আলোচিত কাদের মির্জার জয়

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে