দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীদের অনিশ্চিত দশা কাটছেই না

কাটছেই না ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়া লক্ষাধিক প্রবাসীর অনিশ্চিত দশা। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বাদে অন্য দেশগুলো এখনো ফেরত নিচ্ছে না বিদেশি কর্মীদের। অনলাইন জটিলতায়, নতুন সংকটে আবুধাবি ও আল-আইনের প্রবাসীরা । বিশ্লেষকরা বলছেন, কর্মী নেয়া দেশে সকল দূতাবাস মিলে বাড়াতে হবে কূটনৈতিক উদ্যোগ।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জানালেন, ছুটিতে থাকা কর্মীদের ফেরত নিতে নিয়মিত আলোচনা করছেন তারা। মার্চে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের আগের কয়েক মাসে ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়েন প্রবাসীরা। সঠিক হিসাব না থাকলেও ধারণা করা হয় এই সংখ্যা প্রায় তিন লাখ।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়া কার্যত বাকি কোন দেশই কর্মীদের ফিরিয়ে নিচ্ছে না। আবার আমিরাতের অন্য প্রদেশে বাংলাদেশিরা ফিরতে পারলেও আবুধাবি ও আল-আইন প্রবাসীদের বেশিরভাগই সেই সুযোগ থেকে এখন বঞ্চিত। ফেরার সুযোগ দেয়ার পরও সৌদি আরবের ৩০ থেকে ৪০ হাজার প্রবাসী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় যেতে পারেননি।

এছাড়া, এখনো অনুমতি না দেয়ায় মালয়েশিয়ার প্রায় ২৫ হাজার প্রবাসী দেশে এসে আটকে আছেন। ছুটিতে থাকা কুয়েতের ১৬ হাজার প্রবাসী ফিরে যেতে দূতাবাসে অনলাইনে নিবন্ধ করে অপেক্ষায় আছেন। কাতার, ওমান, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, জর্ডানসহ প্রচলিত অন্য দেশ থেকেও অন্তত ১০ হাজার করে প্রবাসী করোনার প্রভাবে যেতে পারছেন না।

কাজে ফিরতে এই প্রবাসীরা কখনো রাজপথে, কখনো আবার পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ধর্ণা দিচ্ছেন। কিন্তু এখনো ফিরে যেতে পারেননি কর্মস্থলে। প্রবাসী কল্যাণ সচিব আশা করছেন, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই বিদেশি কর্মীদের ফিরিয়ে নেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে যুক্ত করে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক চেষ্টা অব্যহত রাখার কথাও।

মিরাজ হোসেন গাজী, বাংলাভিশন,ঢাকা।

You may also like

বসুরহাটের আলোচিত কাদের মির্জার জয়

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে