যাবজ্জীবন মানেই ৩০ বছরের কারাদণ্ড : আপিল বিভাগ

যাবজ্জীবন সাজা গণনার ক্ষেত্রে ৩০ বছর হিসাব করার নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ পূর্ণাঙ্গ এ রায় ঘোষণা করেন। তবে কোন আদালত আমৃত্যু সাজা দিলে সেক্ষেত্রে কোন ছাড় পাবে না আসামি। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিও এই সুবিধা পাবে না।

গত বছরের ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে এটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিলো। ২০০১ সালে সাভারে জামান নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৩ সালে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। হাইকোর্টে আপিলের পর বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল থাকে।

এর বিরুদ্ধে আপিলের পর ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন সর্বোচ্চ আদালত। রায় ঘোষণার সময় আপিল বিভাগ ‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস’ এমন মন্তব্য করে আদালত। পরে এর বিরুদ্ধে রিভিউ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। তবে, দণ্ডবিধির ৪৫ ও ৫৩ ধারা যদি ৫৫ ও ৫৭ ধারা এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ (এ) ধারার সাথে মিলিয়ে পড়া হয়, সে ক্ষেত্রে যাবজ্জীবনকে  ৩০ বছরের কারাবাস হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

You may also like

বাঁধাকপি বিদেশে রফতানি, খুশি চাষীরা

বাংলাদেশের বাঁধাকপি এখন বিদেশে রফতানি হচ্ছে। এরই মধ্যে