অবসাদ কাটাতে সঙ্গী হোক সোশ্যাল মিডিয়া

??????

মন খারাপ! তাই গল্প-আড্ডা কিচ্ছু ভাল লাগে না। মনে হয়, কেউ বুঝবে না ভাল না লাগার কথাগুলো। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পেজ আছে। সেখানে মন-খারাপের ছবি কিংবা যন্ত্রণার গল্প লিখে ফেললে কিছুটা যেন হালকা হওয়া যায়। নিজের টুকরো গল্প কিংবা ছবি আপলোড করার পরেই ভার্চুয়াল দুনিয়ার বন্ধুরা পাশে থাকে কমেন্ট বক্সে।

মনোবিদেরা বলছেন, ভার্চুয়াল জগতের বন্ধুদের কমেন্ট ‘ওষুধ’ হতে পারে। মানসিক অবসাদ কাটাতে হাতিয়ার হতে পারে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ট্যুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া। ভার্চুয়াল জগতের বন্ধুরা যদি একটু সচেতন হয়, তা হলে অবসাদগ্রস্ত মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পেতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট এবং ছবি দেখে তাঁরা যদি মানসিক অবসাদে ভোগা মানুষের সঙ্গে মনোবিদদের যোগাযোগ করিয়ে দেন বা জীবনের ছন্দে ফিরে যাওয়ার পথ দেখাতে পারেন, তা হলে বড় বিপত্তিও এড়ানো সম্ভব।

যেমন, সম্প্রতি আমেরিকার একটি শহরে এক কলেজপড়ুয়া ফেসবুকে স্টেটাস দিয়েছিলেন, তিনি আত্মহত্যা করবেন। এর পর তাঁর ভার্চুয়াল জগতের বন্ধুরা ফেসবুকে তাঁর বাড়ির ঠিকানা দেখে, সেখানে উপস্থিত হন এবং মেয়েটিকে বড় বিপত্তির হাত থেকে বাঁচান। আধুনিক জীবনে দিন দিন বাড়ছে অবসাদ। পৃথিবীর অন্যান্য বড় শহরের মতোই বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মানুষও মানসিক অবসাদে ভুগছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক অবসাদে ভুগলে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ এড়িয়ে যান। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে আ়ড্ডা দেওয়া কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেন। কিন্তু ভার্চুয়াল জগতে যেহেতু সরাসরি দেখা হয় না, তাই মনের কথা অনেক সহজে বলতে পারেন। আর তাই এই মাধ্যমকেই মন সুস্থ রাখার হাতিয়ার করতে চাইছেন তাঁরা। ফেসবুকে ইতিমধ্যেই এমন একটি ‘অপশন’ রয়েছে যেটা ফেসবুকের বন্ধুদের মনের হাল হকিকত জানতে সাহায্য করবে। এটাকে স্বাগত জানাচ্ছেন মনোবিদদের একাংশ।

You may also like

আইসিসি ২০১৯ বিশ্বকাপে কাল প্রথম সেমিফাইনাল

আইসিসি ২০১৯ বিশ্বকাপে কাল প্রথম সেমিফাইনাল। মুখোমুখি হবে