পুষ্টির অভাবে দেশে প্রতি তিন জন শিশুর মধ্যে একজন উচ্চতায় খাটো

পুষ্টির অভাবে বাংলাদেশের প্রতি তিন জন শিশুর মধ্যে একজন উচ্চতায় খাটো। অবশ্য পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, তবে যে গতিতে হচ্ছে তাতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উন্নতির এই ধীরগতির কথা স্বীকার করলেন জাতীয় পুষ্টি পরিষদের মহাপরিচালকও। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভেজাল খাবার আর দারিদ্র এক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের সাফল্য প্রশংসিত। কিন্তু তারপরও এখনো দেশের ৫ বছরের কমবয়সী শিশুদের মধ্যে আছে উচ্চমাত্রার অপুষ্টি। যার কারণে শিশুদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে, কম উচ্চতা, স্বাস্থ্যহানি আর কম ওজন। সরকারি হিসেবে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ খাটো, ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ কৃশকায় এবং ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ কম ওজনসম্পন্ন।

যদিও গত তিন দশকে শিশুপুষ্টিতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে উন্নতির গতি সন্তোষজনক তো নয়ই। এমনকি ২০২৫ সালের মধ্যে খাটো শিশুর হার সতের শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়ে, জাতিসংঘের যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা আছে, তাও পূরণ হবে না বলেই আশঙ্কা।

উপকূলীয়, হাওর ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া এলাকা এবং শহরের বস্তির শিশুরা পুষ্টিহীনতার প্রধান শিকার। হিসাব অনুযায়ী শহরের বস্তির অর্ধেক শিশুই খর্বকায়। পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভেজাল খাবার আর দারিদ্র প্রধান কারণ। শিশুদের অপুষ্টির জন্য পুষ্টিবিদরা নিরাপদ পানি অভাব ও রোগ ছড়ানো পরিবেশকেও দায়ী করেন।

You may also like

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন নওশাবা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় গ্রেপ্তার