জীবন যুদ্ধে পরাজিত মুক্তিযোদ্ধা-শাহাদাৎ হোসেন মধু

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে পারলেও জীবন যুদ্ধে পরাজিত মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাৎ হোসেন মধু। স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও মানবেতর-যাযাবরের মত দিন কাটাচ্ছেন তিনি। ভূমিহীন এই মুক্তিযোদ্ধার সংসার চলে বাঁশি বিক্রির টাকায়। সর্বশেষ আশ্রয় নিয়েছেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালায়। নাটোরের মুক্তিযোদ্ধা শাহাদৎ হোসেন মধু খাগড়াছড়িতে ঘুরে ঘুরে বাঁশি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অনেকের কাছে তিনি ‘বাঁশি মামা’ বলে পরিচিত। স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও স্বীকৃতি পাননি এই মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে শাহাদৎ হোসেন মধুর বয়স ছিল ২৪ বছর। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মধু নিজের নৌকা দিয়ে নাটোরের চলনবিলের এ মাথা থেকে ও মাথা দীর্ঘ পানি পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গোপনে একাই মুক্তিযোদ্ধাদের পৌঁছে দিতেন।

দেশ স্বাধীন হবার পর মধুকে একটি সনদ দিয়েছিলেন সেখানকার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুস সাত্তার। কিন্তু ১৯৭২ সালে এক ঘূর্ণিঝড়ে তা হারিয়ে ফেলেন তিনি। ৮০’র দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামে চলে যান মধু। মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেতে বছরের পর বছর ঘুরেছেন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে । তার সহযোদ্ধারা মধুর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় দীঘিনালা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

পে অফ

You may also like

২২ জুলাই, সোমবার ২০১৯

বেলা ১২:০৫ : বাংলা সিনেমা সন্ধ্যা ৬:২০ :