বাপেক্স সাতাশ বছরেও আধুনিক হতে পারেনি

বাপেক্স সাতাশ বছরেও আধুনিক হতে পারেনি

তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান বাপেক্স সাতাশ বছরেও আধুনিক হতে পারেনি। দক্ষ ও মেধাবী জনবল থাকলেও সুযোগ-সুবিধার অভাবে সামনে এগুতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলছেন, বাপেক্সকে আধুনিকায়ন করতে কাজ করছে সরকার। কিন্তু বাপেক্স নিজেই আধুনিক হতে চায় না। তবে, সরকারের এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়ে বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর উদ্যোগ নিলেই বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে টেক্কা দিতে পারবে বাপেক্স।    তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে পেট্রোবাংলার অধীনে ১৯৮৯ সালে গঠিত হয় বাপেক্স। প্রতিষ্ঠার এগার বছর পরে ২০০০ সালে অনুসন্ধান কার্যক্রমের পাশাপাশি উৎপাদনেও যুক্ত করা হয় বাপেক্সকে। কর্মকর্তা-কর্মচারি মিলিয়ে মাত্র ৮৩৭ জন জনবল নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। টু-ডি ও থ্রি ডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার পাশাপাশি কূপ খননে কাজ করছে বাপেক্স। দক্ষতা বাড়াতে যৌথভাবে বিদেশী কোম্পানির সাথেও কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যন্ত্রপাতি বলতে বাপেক্সের আছে চারটি খনন রিগ, দুটি ওয়ার্কওভার রিগ, তিনটি ল্যাবরেটরি ইউনিটসহ পাঁচটি মাড লগিং ও সিমেন্ট ইউনিট। বাপেক্সের আবিস্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা পাঁচটি। আর পরিচালিত গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে ছয়টি। এসব ক্ষেত্র থেকে দৈনিক গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে ১০৫মিলিয়ন ঘনফুট। গ্যাস অনুসন্ধানে স্থলভাগেই আটকে আছে বাপেক্সের সফলতা। সক্ষমতা না বাড়ায় বিদেশী অনেক প্রতিষ্ঠানের চাইতে যোজন যোজন পিছিয়ে বাপেক্স।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও

ফ্রান্সে কড়া নিরাপত্তায় চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

ফ্রান্সে কড়া নিরাপত্তায় চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপের