বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ডের টাকায় কেনা সোনায় লোকসান কয়েক মিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ডের টাকায় কেনা সোনায় লোকসান কয়েক মিলিয়ন ডলার

সময় মত বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে পারলে দেশের লাভ হতে পারতো কয়েকশ’ মিলিয়ন ডলার। আর তা না করায় এরই মধ্যে লোকসান হয়ে গেছে কয়েক মিলিয়ন। রিজার্ভ ফান্ডের টাকা দিয়ে কেনা সোনার যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হওয়াতেই নিরবেই ঘটে গেছে দেশের এত বড় ক্ষতি।

রিজার্ভ ফান্ডে ধারাবাহিক রেকর্ড করে যাওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক হঠাৎ করেই ২০১৪ সালে সিদ্ধান্ত নেয় দশ টন সোনা রিজার্ভ করার। ছয়শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে কেনা এই ১০ টন সোনা কেনা হয়েছিলো প্রায় সাড়ে বারশ’ ডলার প্রতি আউন্স দরে। যা ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা আছে।

মাঝে মার্কিন ডলারের ক্রমেই মান হারানোর প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সোনার বাজার ছিলো উর্দ্ধমুখী। যা এক সময় বাংলাদেশের কেনা দরের দ্বিগুনেরও কাছাকাছি পৌঁছায়। কিন্তু অতি সম্প্রতি ডলারের শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি দর পড়তে থাকে সোনার। ফলে এখন বাংলাদেশের সেই সোনার দাম কমতে কমতে কেনা দামেরও নিচে নেমে গেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি বিশ্বের অনেক দেশের মত বাজার পর্যবেক্ষণে দক্ষতা দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক চড়া দামে সোনা বেঁচে দিতে পারতো তাহলে দেশের মুনাফা হতো অন্তত কয়েকশ’ মিলিয়ন ডলার। আর কুম্ভকর্ণের ঘুম আক্রান্ত হওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তহীনতায় এখন দেশের ক্ষতি হয়ে গেছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রবাসী শ্রমিক আর তৈরি পোষাক খাতের ঘাম ভেজা রিজার্ভকে দেশের মানুষের কাজে লাগাতে তৎপর ও দক্ষ হবার সুযোগ থেকে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সোনার মজুদ আছে তের দশমিক সাত আট টন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও

ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাসের চাপায় দুই ব্যক্তি নিহত

সকালে উপজেলার কানুরামপুর এলাকায় ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা