চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর হাট এবার ভারতীয় গরুর দখলে

চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর হাট এবার ভারতীয় গরুর দখলে। দেশী ও ভারতীয় মিলিয়ে গরু সরবরাহ প্রচুর। তাই এখনো পশুর দাম বাড়েনি বলএ জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই। এদিকে, উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট।

সেখানেও দেশি গরুর সাথে উঠতে শুরু করেছে ভারতীয় গরু। এতে দেশীয় গরু দাম অনেক কমে গেছে। স্থানীয় খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দাম নাগালের মধ্যে থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে বেশ স্বস্তি।

চট্টগ্রামে পশুর হাটে ক্রেতাদের বেশীরভাগই সময় ব্যয় করছেন দাম যাছাইয়ে। তাই পুরোদমে জমেনি কোরবানির পশুর হাট। বাজারে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে। ছাগল বিক্রি হচ্ছে থেকে ১০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে।

বাজারে দেশীয় গরুর চাইতে এবার ভারতীয় গরুর পরিমান বেশি,জানালেন ব্যবসায়ীরা। তবে দেশীয় মোটতাজা গরু নিয়ে এসেছেন অনেকে। চট্টগ্রামে হাতি সাইজের গরুর দাম হাঁকাচ্ছে ৮ লাখ টাকা।

এদিকে, কোরবানির পশু সাজাতে আগ্রহীদের জন্য বাহারি মালা নিয়ে বাজার ঘুরে বেড়াচ্ছেন মৌসুমি হকাররা। জাল নোট সনাক্ত করার জন্য বসানো হয়েছে যন্ত্র। সব মিলিয়ে এখনো নিরাপদ গরুর বাজার।

তিনদিকে ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ে বিভিন্ন কায়দায় ভারতীয় গরু প্রবেশ করলেও এবার হয়েছে ব্যতিক্রম। দীর্ঘদিন ধরে জেলার কোন হাট-বাজারে ভারতীয় গরু বেচা-কেনা না হওয়ায় সাধারণ গৃহী ও খামারীরা ঈদ বাজার ধরতে গরু মোটাতাজা করেছেন। এসব গরুর দামও ছিল বেশ চড়া। কিন্তু হঠাৎ করে জেলার হাটবাজার গুলো ভারতীয় গরু দখল করায় দেশীয় গরুর দাপট কিছুটা কমে যায়। এতে হতাশ গৃহস্ত ও খামারিরা।

জেলা শহরসহ অন্যান্য পশুর হাট থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫টি গরুর ট্রাক যাচ্ছে জেলার বাইরে। এবারের কোরবানীর পশুর বাজার নির্বিঘ্ন রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

You may also like

দেশে আসা নতুন মাদক ”খাট” ইয়াবার চেয়েও ক্ষতিকারক

দেশে আসা নতুন মাদক ”খাট” ইয়াবার চেয়েও ক্ষতিকারক।