কমছেই না পেঁয়াজের ঝাঁজ

কমছেই না পেঁয়াজের ঝাঁজ। মাত্র দু’তিন দিনের ব্যবধানে দাম কেজিতে ১০ টাকার বেশি বেড়ে খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছুঁয়েছে একশ’ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজের দরও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। দেশটি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ন্যুনতম ৬৯ টাকা বেঁধে দেয়ার খবরই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ, দাবি আমদানিকারকদের। নতুন পেঁয়াজ না ওঠা পর্যন্ত, আগামী দশ বারো দিনের আগে দাম কমার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

কয়েক মাস ধরেই চড়া পেঁয়াজের বাজার। খুব দরকারি এ পণ্যটির গায়ে যেন আগুন লেগেছে। মাত্র পাঁচদিন আগে ভারতীয় পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় মিললেও এখন তা শ্যামবাজারের পাইকারি মোকামেই দর উঠেছে ৭০ টাকায়। কয়েক হাত ঘুরে সেই ভারতীয় পেঁয়াজ খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকায়।আর কোথাও কোথাও দেশি পেঁয়াজের কেজি ছুঁয়েছে একশ টাকার ঘর।

শ্যামবাজারের ৭৭ টাকার দেশি পেঁয়াজের কেজি কারওয়ানবাজারের পাইকারি মার্কেটে ৮৫ টাকা। পর্যাপ্ত সরবরাহ সত্ত্বেও কেন দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে, এর যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই বিক্রেতাদের কাছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারের পার্থক্য নিয়েও নেই সদুত্তর।টিসিবি’র তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশে পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ৪০ টাকার মধ্যে থাকলেও এবার গেলো দেড় মাসে পাঁচ দফার বেশি বেড়েছে দাম।

কিন্তু কেন এই অস্থিরতা, এর ব্যাখ্যা এভাবেই দিলেন শ্যামবাজারের এই আমদানিকারক। ২২-২৩ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে দেশেই গেলো বছর উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৯ লাখ টন পেঁয়াজ। চাহিদা মেটাতে শুধু ভারতের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে চীন ও মিশর থেকে যথাসময়ে আমদানি করা হলে পেঁয়াজের দাম এত বাড়তো না, জানান ব্যবসায়ীরা। টন প্রতি যে পেঁয়াজ ভারত বিক্রি করছে সাড়ে আটশ ডলারে তা মিশর বা চীন থেকে আনলে খরচ পড়তো সর্বোচ্চ ২৭০ ডলার।

You may also like

২৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার ২০১৮

বেলা ১২:০৫ : বাংলা সিনেমা বিকেল ৫:২৫ :