সিন্ডিকেটের কারসাজিতে অস্থির চালের বাজার

চালের দাম কমবে বলে খাদ্য ও বাণিজ্যমন্ত্রীকে দেয়া কথা রাখেননি ব্যবসায়ীরা।এ সপ্তাহে বস্তাপ্রতি চালের দাম বেড়েছে দুশো থেকে চারশো টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারকে ভুল বুঝিয়েছে ব্যবসায়ী ও মিলারদের একটি সিন্ডিকেট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা মিলার, তারাই আবার আমদানিকারক। বড় বড় ব্যবসায়ীদের এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে চালের বাজার স্থিতিশীল হবে না।

নতুন দায়িত্ব নিয়ে চাল ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। চালের দাম ধারাবাহিকভাবে কেন বাড়ছে, মন্ত্রী তা জানতে চাইলেও ব্যবসায়ীরা এটাকে প্রপাগান্ডা বলে উল্লেখ করেন। একই সাথে নতুন করে চালের দাম বাড়বে না বলেও সেদিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা।

তবে মন্ত্রীকে দেয়া সে কথা রাখেন নি ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রকারভেদে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে তিন থেকে সাত টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, দাম বৃদ্ধিতে তাদের কোন হাত নেই। বেশি দামে কিনে তাদের বেশি দামই বিক্রি করতে হচ্ছে। তারা জানান, মিল মালিকরা যে হারে দাম বাড়িয়েছিলেন, সে তুলনায় কমাননি।

মিল মালিকরা যে কারসাজির মাধ্যমে চালের দাম বাড়িয়ে থাকে, তা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কয়েকবার। এমনকি এর আগের খাদ্যমন্ত্রী এরকম কিছু মিল মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করেছিলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালো তালিকাভুক্ত ওই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলে নতুন করে আর সিন্ডিকেট হতো না। নিয়মিত বাজার তদারকি করতে মনিটরিং টিমের সংখ্যা বাড়িয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেগুলো কতটা কার্যকর হয় সেটাই দেখার বিষয়।

আরিফুল হক, বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৮৭ রুটে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট

আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক