৬৯টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে প্রায় পাঁচশ’ কোটি টাকার ব্যাটারি

দেশের পর বিদেশ জয়েও সফল বাংলাদেশের ব্যাটারি। বেআইনীভাবে দেশে গড়ে ওঠা চাইনিজ কারখানার কারণে দেশীয় শিল্প হোঁচট খেলেও ৬৯টি দেশে বছরে রপ্তানি হচ্ছে চার থেকে পাঁচশ’ কোটি টাকার বাংলাদেশি ব্যাটারি। দেশীয় এ ব্যাটারি কারখানাগুলো কর্মসংস্থানেও রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রস্তুতকারীদের দাবি, উৎপাদন ও রিসাইক্লিংয়ের জন্য আলাদা শিল্পাঞ্চল গড়া হলে এ খাতের রপ্তানি উন্নীত হবে কয়েক বিলিয়ন ডলারে। ষাটের দশকে আমদানি করা লুকাস ব্যাটারি দিয়ে বাজার শুরু হলেও বেশ ক’বছর ধরে দেশেই তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ব্যাটারি। এই শিল্পের পরিবেশ দূষণ নিয়ে শুরুতে বেশ হৈ চৈ থাকলেও এখন পরিবেশ সম্মত উপায়ে ব্যাটারি উৎপাদন করছে বেশিরভাগ কারখানা। ছোট-বড় প্রায় ২৪টি কারখানায় তৈরি ব্যাটারি দেশের মোটরসাইকেল, মোটরগাড়ি, অটোরিক্সা, আইপিএস এবং সোলার প্যানেল ছাড়াও বিভিন্ন ইঞ্জিনচালিত যন্ত্রের চাহিদা মেটাচ্ছে।

রোবটিক মেশিনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তৈরি নিজস্ব ব্র্যান্ডের গাড়ির ব্যাটারি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। ব্যাটারি শিল্পের রপ্তানি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি তৈরি করেছে ১৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান।কিশোর বয়স থেকে ব্যাটারি শিল্পে জড়িয়ে থাকা এ উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনায় রপ্তানি বেড়েছে ব্যাটারির। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে এখন দরকারের সরকারের নৈতিক সহায়তা। রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতিরও বলছেন, অবৈধ উৎপাদন ও রিসাইক্লিং বন্ধ করা জরুরি। আলাদা শিল্পাঞ্চল হলে ব্যটারি রপ্তানি বাড়বে কয়েকগুণ। অসম বাজার প্রতিযোগিতা দূর করতে বেআইনি কারখানাগুলোকে আইনি কাঠামোতে আনার তাগিদ রপ্তানিকারকদের।

 

You may also like

২৩ অক্টোবর, বুধবার ২০১৯

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১২:০৫ :