মিয়ানমার থেকে আসেছে প্রচুর পেঁয়াজ

আব্দুস সালাম।। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ৩ হাজার ৮২৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌছেছে। আরও কয়েক হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দুই-তিনদিনের মধ্যে এসে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে এসব এসব পেঁয়াজ দেশের বাজারে ঢুকে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে গত দুই দিনে (৩০ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর) পর্যন্ত আটজন ব্যবসায়ীর আমদানি করা ৯শ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে ট্রলারযোগে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ঢুকেছে। এসব পেঁয়াজ শ্রমিকেরা ট্রলার থেকে খালাস করে ট্রাকে বোঝাই করেছে। স্থলবন্দর থেকে পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাকগুলো সারি সারিভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে গেছে।স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৭৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে মিয়ানমার থেকে। এর মূল্য ১৫ কোটি ৫৫ লাখ ২৪ হাজার ৩৫৭ টাকা।এসব পেঁয়াজ ১০-১২ জন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানি করেছেন। এর আগে আগস্টে ৮৪ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।

আমদানিকারকরা বলেন, মিয়ানমারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৪৩ টাকা। এ পেঁয়াজ টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে পরিবহন, শ্রমিকসহ কেজি প্রতি আরও ৫ টাকার মতো খরচ হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। আমদানিকারক মোহাম্মদ সেলিম, এমএ হাশেম, সজিব ও সাদ্দাম বলেন, মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে কয়েক হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভর্তি জাহাজ সমুদ্রপথে রয়েছে। সেগুলো কয়েকদিনের মধ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় নুরুল আলম নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি হলেও বাজারে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ছে। টেকনাফ স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজ খালাস কার্যক্রম দ্রুত শেষ করে সরবরাহ করা হচ্ছে।

You may also like

ভারতের সাথে সুসম্পর্কের কোনো টানাপোড়েন চায় না বাংলাদেশ: কাদের

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন বিলের বিষয়টি সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ