আবারো লাগামহীন পেঁয়াজের দাম

আবারো পেঁয়াজের দাম বেড়ে ডাবল সেঞ্চুরিতে দাঁড়িয়েছে। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠার পরও পেঁয়াজের এই ঊর্ধ্বদরে রুদ্ধশ্বাস ভোক্তাদের। উচ্চমূল্যে পিছিয়ে নেই আমদানিকৃত চীন ও তুরস্কের পেঁয়াজের দরও। এগুলোও কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। খোদ টিসিবির তথ্য মতে, গত বছরের এ সময়ের তুলনায় দেশি পেঁয়াজের দাম পাঁচশ’ ৩৩ শতাংশ ও আমদানি করা পেঁয়াজের দর দুইশ’ পঁতাল্লিশ শতাংশ বেশি। পেঁয়াজ, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অন্যতম একটি মসলা উপাদান। যার বাজার দরে হাঁসফাঁস অবস্থা ক্রেতাদের গত প্রায় চার মাস ধরে। এরই মধ্যে দু’দুবার ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালো পেঁয়াজ নামক কন্দজ জাতীয় এই সব্জিটি।

গত নভেম্বরেই কেজি প্রতি পেঁয়াজ কিনতে গুণতে হয়েছে দুইশত টাকা। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মহল বলছিলো, নতুন পেঁয়াজ আসলেই নেমে আসবে বাজার দর। কিন্তু নতুন বছলের চারদিন যেতে না যেতেই পেঁয়াজ আবারও তার ঝাঁঝ বাড়িয়ে দিল। দাম উঠিয়ে দিল একেবারে দুইশতে। ফলে চিড়েচ্যাপ্টা স্বলপ আয়ের মানুষ। মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠার পর দাম কমে স্বস্তি ফিরেছিল পাবনার পেঁয়াজের বাজারেও। বর্তমানে সেখানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। দু’দিন আগেও যে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজি প্রতি ৯০ থেকে ১শ’ টাকা। হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ৮০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। তবে বিক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের ভাল দর পাওয়ায় কৃষক মুড়িকাটা পেঁয়াজ দ্রুত তুলে বিক্রি করছে। ফলে বর্তমানে নতুন পেঁয়াজের আমদানি নেই। এ বছর পাবনায় ৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ করা হয়েছে। এর বিপরীতে পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাভিশন নিউজডেস্ক।

You may also like

বিশ্বে গেলো একদিনে আরো চার হাজার আটশ’ ৭২ জনের মৃত্যু

বিশ্বে করোনা ভাইরাসে গেলো একদিনে আরো চার হাজার