অস্থির চালের বাজার

কোনোভাবেই বাগে আসছে না চালের বাজার। দু’তিন দিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে কেজিতে ৫/৭ টাকা। বেশি চাহিদার সুযোগ নিয়ে মিল মালিকরা কলকাঠি নাড়ায় বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের। আর মিলাররা বলছেন, করোনাকে পূঁজি করে অতিরিক্ত মুনাফা লুটছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এদিকে, আড়ৎদারদের পরামর্শ- চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি গুদামে মজুদ থাকা ধান অবিলম্বে খোলাবাজারে ছাড়ার। করোনা আতঙ্কে চালসহ নিত্যপণ্য কিনতে বাজারে হুমড়ি খাচ্ছে ভোক্তারা। আর এ সুযোগে তৎপর ব্যবসায়ীরা। অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে চালের দাম। রাজধানীর পাইকারি মোকাম বাবুবাজারেই চালের কেজি ছাড়িয়েছে ৫৫ টাকার ঘর।

দাম নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্টের অভিযানে দোকান সিলগালার মতো ঘটনাও থামাতে পারছে না চালের দাম।  সরবরাহে এতটুকু ঘাটতি না থাকার পরও অযৌক্তিক হারে দাম বৃদ্ধির যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই মিলমালিকদের কাছে। হঠাৎ কী এমন ঘটলো যে চালের দাম এত বাড়লো? এর পেছনে আসলেই কী কলকাঠি নাড়ছে কেউ? নাকি আছে কোনো কারসাজি? সকাল-বিকাল দাম বৃদ্ধির প্রবণতায় কিছুটা বিব্রতা আড়ৎদাররাও। তবে, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের চোখ রাঙানি বাদ দিয়ে সরকারি গুদামের ধান বিক্রির পরামর্শ বাবুবাজার চাউল আড়ৎদার সমিতির।  তাদের দাবি, দেশে চালের কোনো কমতি নেই। তাছাড়া মাসখানেক বাদে ঘরে উঠবে নতুন চাল। তাই আতঙ্কিত হয়ে বেশি চাল না কিনতে ক্রেতাদের প্রতি আহবান আড়ৎদার ও মিল মালিকদের। জিয়াউল হক সবুজ, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

০৫ এপ্রিল, রবিবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১১:০৫ :