পাঁচ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা খুলেছে ঝুঁকিপূর্ণ গাজিপুর

করোনা ঝুঁকির মধ্যেই গাজীপুরে চালু হয়েছে পাঁচ শতাধিক পোশাক কারখানা। কর্তৃপক্ষের দাবি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতেই কারখানা চালু করা হয়েছে। নিশ্চিত করা হয়েছে সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি। তবে, সংক্রমনের শঙ্কা কাটছেনা স্থানীয়দের। সাভার ও নারায়ণগঞ্জেও প্রায় পশ্চাশ শতাংশ কারখানায় চলছে কাজ। করোনা ঠেকাতে বন্ধ প্রায় সব ধরণের শিল্প প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে খুলে দেয়া হয়েছে বেশ কিছু পোশাক কারখানা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মস্থলে ফিরছেন শ্রমিকরা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত ভাড়ায় রিকশা, ভ্যান কিংবা হেঁটে কর্মস্থলে এসেছেন শ্রমিকরা। চাকরি বাঁচাতে করোনার ঝুঁকি মাথায় নিয়েই কর্মস্থলে যোগ দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে,কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সব নিয়ম মেনেই কারখানা খুলেছেন তারা। অনুসরণ করা হচ্ছে স্বাস্থ্য বিধিও।

এদিকে, লকডাউনের মধ্যেই শ্রমিকরা কাজে ফেরায় আতঙ্কে স্থানীয়রা। কারখানাগুলোকে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার । করোনা মোকাবেলার কঠিন সময়েও কাজ চলছে সাভার ও নারায়ণগঞ্জের প্রায় পশ্চাশ শতাংশ কারখানায়। তবে কাজের পরিবেশে এসেছে পরিবর্তন। যথাসম্ভব সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে, বিধি নিষেধ মেনে কাজ করছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। নিয়ম না মানার অভিযোগও আছে কোন কোন কারখানার বিরুদ্ধে। এদিকে, করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ফেনী থেকে ঢাকায় আসছেন পোশাক শ্রমিকরা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা রিকশা-অটোরিকশা করে কেউবা হেঁটে রওনা দেন।

You may also like

পেঁয়াজের দাম আরো বাড়তে পারে

রাজধানীর বাজারে দেশি-বিদেশি সব পেঁয়াজের দামই এখনো চড়া।