রাজধানীর বাজারগুলোতে এখনো কমেনি পেয়াজের দাম

রাজধানীর বাজারগুলোতে এখনো কমেনি পেয়াজের দাম। তবে স্বল্প আয়ের মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে খোলাবাজারে পেয়াজ বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি । সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে । আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্য নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশে পেয়াজের উৎপাদন বাড়ানো। সপ্তাহ দুয়েক ধরে চড়া রাজধানীর পেয়াজের বাজার। দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। দেশি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, ভারতীয় পেয়াজ ৫০ টাকা। দাম বৃদ্ধির জন্য খুচরা বিক্রেতারা দোষ দিচ্ছেন পাইকারদের। আর পাইকাররা আমদানিকারকদের। দোষারোপের মাঝে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে স্বল্প আয়ের ক্রেতারা।

বাজারের অস্থিরতা যখন ঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছে, তখন স্বল্প আয়ের মানুষের আশ্রয় ট্রেডিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ-টিসিবি’র খোলাবাজার। রাজধানীসহ সারাদেশে ৪০০টি ট্রাকে খোলাবাজারে অন্য পণ্যের সাথে রবিবার পেয়াজ বিক্রিও শুরু করেছে টিসিবি। এতে স্বল্প আয়ের অনেক মানুষ ৩০ টাকা কেজি দরে দু’কেজি পেয়াজ কিনতে পারছেন। টিসিবি বেশি করে পেয়াজ বিক্রি করতে পারলে সিন্ডিকেটরা শায়েস্তা হবে, মত ডিলারদের। এদিকে, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ক্যাবের গোলাম রহমান বলছেন, ব্যবসায়ীদের কারসাজি থেকে ভোক্তাদের মুক্তি দিতে পেয়াজের উৎপাদন বাড়াতে হবে।ট্যাক্স কমানোর পাশাপাশি আমদানি প্রক্রিয়ার জটিলতা বন্ধ হলে পেয়াজের দাম সারা বছরই ভোক্তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে মত গোলাম রহমানের। আরিফুল হক, বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। বেলা ১১:০২