টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত চার

টেকনাফে গুলিতে চার ব্যক্তি নিহত হয়েছে। নিহতরা ইয়াবা পাচারকারী বলে দাবি বিজিবি ও পুলিশের। উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৮৬ হাজার পিস ইয়াবা ও দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র। করোনা ভাইরাস আতংকের মাঝেও থেমে নেই ইয়াবা পাচার। টেকনাফ-দুই বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খাঁন জানান, উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা বিওপির বিজিবির বিশেষ টহলদল অন্ধকারের মধ্যে ৪/৫ জন লোককে একটি নৌকা নিয়ে নাফনদী পার হয়ে ছুরিখাল এলাকায় ঢুকতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়।

পরে বিজিবি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিন ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের তিনজনকে মৃত ঘোষনা করেন।

বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ও দেশীয় তৈরি দুটি বন্দুক উদ্ধার করে। এদিকে, একই রাতে টেকনাফ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন তুলাতলি এলাকায় থানা পুলিশের একটি দলের সঙ্গে সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীদের গোলাগুলি হয়। গুলিবিদ্ধ একজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত ব্যক্তি, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন তুলাতলী এলাকার আবুল বশরের ছেলে মুসা আকবর। ঘটনাস্থল থেকে ছয় হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

You may also like

সিলেটে গণধর্ষণের আসামি মাহফুজ গ্রেফতার

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলায় মাবুবুর