ইউএনওর ওপর হামলার প্রধান আসামি আসাদুল ও জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলা মামলার প্রধান আসামি যুবলীগের আসাদুল হক ও উপেজলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গির আলমকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর পাশাপাশি আরো দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সবাইকে নেয়া হয়েছে রংপুর RAB কার্যালয়ে। এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতালে অপারেশনের ১১ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরেছে ওয়াহিদা খানমের। তবে, পর্যবেক্ষণে থাকবেন ৭২ ঘণ্টা। বুধবার গভীর রাতে সরকারি বাসায় ঢুকে কুপিয়ে ও মাথায় আঘাত করে ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের মারাত্মকভাবে জখম করে দুই দুর্বৃত্ত। আহত হন তার বাবা ওমর শেখও। পরদিন রাতে ইউএন ওয়াহিদার বড় ভাই অজ্ঞাতনামা চার/পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন ঘোড়াঘাট থানায়।

মামলা দায়েরে কয়েকঘন্টা পরই শুক্রবার ভোরে ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমকে কশিগাড়ি এলাকার বাসা থেকে আটক করা হয়। আর প্রধান আসামী যুবলীগের সাদস্য আসাদুল হককে আটক করা হয় পার্শ্ববর্তী কালিগঞ্জ এলাকায় আত্মিয়ের বাসা থেকে। আটক হয়েছে নৈশপ্রহরী নাহিদসহ আরো দু’জন। পরে গ্রেফতার ও আটককৃতদের পাঠানো হয় রংপুর RAB কার্যালয়ে। এসব তথ্য জানিয়েছেন ঘোড়াঘাট থানার ওসি আমিরুল ইসলাম। অভিযুক্ত উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমকে বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর হামলার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, মুখোশধারী সন্ত্রাসীর হাতুড়ির আঘাতে মাথার খুলি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে যাওয়া ইউএনও ওয়াহিদার অস্ত্রপচারের ১১ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরেছে। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতালে ৭২ ঘন্টার পর্যবেক্ষনে থাকবেন ওয়াহিদা।

 

You may also like

১৯ অক্টোবর, সোমবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। সকাল ১০:৩০