পঙ্গু হাসপাতালে টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ

টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান বা পঙ্গু হাসপাতালের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে বদলী করা যায়নি। ২০১৩ সালে তাকে একবার বদলী করা হলেও জাল স্বাক্ষরে অফিস আদেশে বহাল রয়েছেন স্বপদে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান জানান, নজরুলের সব অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। লিটন খান ও আমানুল্লাহ ওয়ালসের ক্যামেরায় জিয়া খানের দুই পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ শেষ পর্ব। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান বা পঙ্গু হাসপাতালের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। চতুর্থ শ্রেণির এই কর্মচারী একই পদ আকঁড়ে আছেন দীর্ঘ চৌদ্দ বছর। অবশ্য ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়েছিলো তাকে। কিন্তু তাঁর কৌশলে হার মানে বদলীর আদেশ।

এই অফিস আদেশেই পঙ্গু হাসপাতালে বহাল রয়েছেন নজরুল ইসলাম। আদেশে সাক্ষর রয়েছে তৎকালীন উপ-পরিচালক ডা. জহির উদ্দিনের। কথা হয় জহির উদ্দিনের সঙ্গে। কিন্তু সাক্ষর দেখে তিনি যা বললেন তা অবাক হওয়ার মতো কথা। ডা. জহির যদি এই সাক্ষর না করেন তাবে কার এই সাক্ষর.. এমন প্রশ্নের উত্তর দেন নজরুল ইসলাম।এখানেই শেষ নয় যেদিন নিয়োগের তারিখ দেয়া হয়েছে তাও ছিলো শুক্রবার। অর্থাৎ জালিয়াতি করেও ধরা খেয়েছে প্রতারক। এসব বিষয়ে কথা হয় নজরুল ইসলামের সঙ্গে।  বিশ হাজার টাকার বেতনের কর্মচারী নজরুল, নিজের এক ছেলে ও মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন কানাডাতে। এমন তথ্য প্রথমে অস্বীকার করলেও ধরা খেয়ে আশ্রয় নেন কৌশলের। এতোদিন যাদের সঙ্গে টেন্ডার বাণিজ্য করেছেন তারাও নেতিবাচক ধারনা দেন নজরুল সম্পর্কে। হাসপাতাল পরিচালক বলেন, নজরুলের নানা অপকর্ম নিয়ে তাকে অনেক বার বোঝানো হয়েছে। জালিয়াতি করে চাকুরীতে নিয়োগের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক বলেন, খুব শিগগিরই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।শুধু নজরুল নয়, এতোদিন ধরে তার আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনার কথা জানান ডা. হাবিবুর রহমান। জিয়া খান, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

ইনজুরি কাটিয়ে অনুশীলনে মাশরাফি

ইনজুরি কাটিয়ে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক