গাজীপুরে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়া দ্বন্দ্বে শিশু খুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাড়িওয়ালার দশ বছরের শিশু লিমু আক্তার লামিয়াকে হত্যার দায়ে ভাড়াটিয়া দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার পর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ফেলে শিশুটির লাশের ওপর দাঁড়িয়ে ঘাতক সুমন অন্যদের পরামর্শ দিচ্ছিলো শিশুটিকে খোঁজার জন্য। স্থানীয়রা পরে তার পায়ের নিচ থেকেই লাশটিকে উদ্ধার করে। এদিকে, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ঘুমন্ত মা-বাবার পাশ থেকে নিখোঁজ ১৭ দিনের শিশুর মৃতদেহ তিনদিন পর পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ের ডাক কিংবা কান্না- কোন কিছুতেই আর ফিরবে না শিশু লিমু আক্তার লামিয়া। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দশ বছরের শিশু লামিয়াকে গলা কেটে হত্যা করেছে বাড়ির ভাড়াটিয়া। নিহত লামিয়া গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর এলাকার সাহেব আলীর মেয়ে। স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী।

পুলিশ জানায়, তিনমাস আগে বগুড়ার ফুলবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুমন মিয়া সাহেব আলীর বাসা ভাড়া নেয়। পাঁচ হাজার টাকা বাসা ভাড়া বাকি নিয়ে বাকবিতন্ডাও হয় তার সাথে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন ও তার স্ত্রী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে লামিয়াকে জবাই করে হত্যার পর খালের পানিতে ফেলে রাখে। পরিবারের লোকজন লামিয়ার নিখোঁজের বিষয়টি কালিয়াকৈর থানায় জানিয়ে, বাড়ি আশপাশে খোঁজ করছিল। এসময় ভাড়াটিয়া সুমন পানির নিচে লামিয়ার লাশের ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন দিকে খোঁজার পরামর্শ দেয় মানুষকে। একপর্যায়ে সুমনের কাছে গিয়ে তার পায়ের নিচ থেকে লামিয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

এদিকে, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ঘুমন্ত মা-বাবার কোল থেকে চুরি হওয়া ১৭ দিনের শিশুর মৃতদেহ তিনদিন পর, বুধবার সকালে বাড়ির পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত শিশুটির দাদা আলী হোসেন জানিয়েছেন, ভোরে মসজিদে নামাজ পড়ে ঘরে ফেরার সময় পুকুরে নাতির লাশ ভাসতে দেখেন তিনি। এসময় তার চিৎকারে লোকজন এসে শিশুর লাশটি পুকুর থেকে তোলেন। ১৫ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে মা-বাবাও তার পাশে ঘুমিয়ে যান। রাত একটার দিকে ঘুম ভেঙে দেখেন মেয়ে বিছানায় নেই।

অন্যদিকে, পারিবারিক কলহের জেরে জয়পুরহাট সদরের বেলাআমলা এলাকায় স্ত্রী মনিকা রাণীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পালিয়েছে স্বামী অনুকূল মোহন্ত। বুধবার সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের পরিবার জানায়, রাজমিস্ত্রী অনুকুল মোহন্ত দীর্ঘদিন থেকে নেশাগ্রস্ত। প্রায়ই সে তার স্ত্রী মনিকা রাণীকে কে মারধর করতো। মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময় অনুকূল তার স্ত্রীকে হত্যার পর চৌকির নীচে লুকিয়ে রেখে ৫ বছরের সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার রাতে মনিকার শ্বশুর-শাশুড়ি তাদের মেয়ের বাড়ি ছিলেন। বাংলাভিশন নিউজডেস্ক।

You may also like

ইনজুরি কাটিয়ে অনুশীলনে মাশরাফি

ইনজুরি কাটিয়ে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক