কারখানা স্থানান্তরের কারণে কর্ম হারানোর শঙ্কায় হাজারীবাগের ট্যানারির শ্রমিকরা

কারখানা স্থানান্তরের কারণে কর্ম হারানোর শঙ্কায় হাজারীবাগের ট্যানারির শ্রমিকরা

কারখানা স্থানান্তরের কারণে কর্ম হারানোর শঙ্কায় হাজারীবাগের ট্যানারির শ্রমিকরা। ইউনিয়ন নেতারা জানিয়েছেন, কিছু কারখানার মালিক তাদের শ্রমিকদের প্রত্যয়ন-পত্র দিচ্ছেন না। এতে প্রমাণ হয় শ্রমিক ছাঁটাইয়ের মতো সিদ্ধান্তও আসতে পারে। আর তা করা হলে, শ্রম আইন লঙ্ঘণের অভিযোগে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।

তবে, ট্যানারি মালিকদের সংগঠনও মনে করছে, ইচ্ছামতো শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কোন সুযোগ নেই। এদিকে, সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিসিকের ব্যর্থতায় সাভারে আবাসনসহ শ্রমিকদের জন্য কোন অবকাঠামো তৈরি হয়নি।

সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকে হাজারীবাগের চামড়া শিল্প নিয়ে নানামুখী অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাভারের চামড়া শিল্প নগরী প্রস্তুত না হওয়ার কারণে কারখানা সরানো সম্ভব হয়নি; তেমনি হাজারীবাগে থাকা কাঁচামাল নিয়েও শঙ্কা কাটেনি।

এত কিছুর মধ্যে হাজারীবাগে নতুন গুঞ্জন দেখা দিয়েছে। কারখানা বন্ধ, উৎপাদন নেই; তাই শ্রমিকদের ছাঁটাই করতে যাচ্ছে কিছু ট্যানারি মালিক। এতে উদ্বিগ্ন বহুদিন ধরে কাজ করে আসা শ্রমিকরা।

তবে কোন কোন প্রতিষ্ঠান এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে তা আপাতত খোলসা করতে চাইছে না শ্রমিক ইউনিয়ন। কোন মালিক যদি এমন সিদ্ধান্ত নিতে চান বা নিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে কি করার আছে?

এদিকে, শ্রমিকদের এই অনিশ্চিত জীবনের জন্য দায় মালিকদের পাশাপাশি বিসিকের ওপরও চাপিয়েছে দুই পক্ষই। সাভারের দু’শো একর শিল্প নগরীতে শ্রমিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নেই, তৈরি হয়নি হাসপাতালসহ কোন অবকাঠামোই।

প্রায় অর্ধ-শতাব্দী ধরে হাজারীবাগের ট্যানারি কারখানাগুলোত স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে শ্রমিক রয়েছে কম-বেশি লাখখানেক। যাদের ওপর নির্ভরশীল আরো অন্তত তিন থেকে চার লাখ মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও

দিনাজপুরে জেএমবির দুই সদস্য গ্রেফতার

দিনাজপুরের রানীগঞ্জ থেকে জেএমবির সারওয়ার-তামিম গ্রুপের সক্রিয় দুই