আগামী মাসে আসছে এলএনজি, ক্ষতির মুখে পড়বে সিমেন্ট, স্টীলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান

আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের বাজারে আসছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি। তবে এ নিয়ে এখনি সরকারের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারণ শিল্প কারখানাগুলো দামী এই গ্যাস ব্যবহারে তেমন একটা সাড়া দিচ্ছে না, – এমনটাই জানালেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই গ্যাস ব্যবহার করলে সিমেন্ট, স্টীল, সিরামিকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়বে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি আমদানির ফলে চাহিদা মিটলেও খরচ বাড়বে। সাধারনত বিভিন্ন দেশ এলএনজি আমদানি করে ল্যান্ডবেজ স্টেশনের মাধ্যমে। কিন্তু বাংলাদেশে গভীর সমুদ্র বন্দর না থাকায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে ফ্লোটিং স্টোরেজ রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট-এফএসআরইউ বা ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে আনা হবে এলএনজি।

বিভিন্ন ধাপে খরচ বৃদ্ধির ফলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস গড়ে ১৩ টাকার কমে বিক্রি করা সম্ভব হবে না। অথচ বর্তমানে পেট্রোবাংলার প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় মূল্য সাত টাকা ৩৫ পয়সা। বিভিন্ন খাতের চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ হবে।

নির্ধারিত কয়েকটি খাতে এলএনজি দিলে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে সরকার। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুম বা ঝড়-জলোচ্ছাসের কারনে বছরে প্রায় একশ দিন ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি আমদানি বন্ধ রাখতে হবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা। দামী এই গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রনে সরকারকে অবশ্যই অবৈধ সংযোগ বন্ধের ওপর জোর দিতে হবে বলেও মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।

You may also like

১৫ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার ২০১৮

বেলা ১২:০৫ : বাংলা সিনেমা বিকেল ৫:০০ :