কৃত্রিমভাবেই বেড়ে যাচ্ছে চিনির দাম

রোজাকে সামনে রেখে দেশে চিনির মজুদ যথেষ্ট থাকলেও বেসরকারি মিলগুলো ধীরগতিতে সরবরাহ করায় কৃত্রিমভাবেই বেড়ে যাচ্ছে চিনির দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিল গেটে চিনি ছাড়ার ধীর গতির কারণে ট্রাক প্রতি বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে বিশ হাজার টাকার মত। প্রতি বছরের নিয়মিত এ যোচ্চুরি ঠেকাতে সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সরকারি হিসেবে রোযায় দেশে চিনির চাহিদা থাকে তিন লাখ টনের মত। আর বর্তমানে দেশে বিভিন্ন পর্যায়ে মজুদ আছে ৭ লাখ টনের মত। যা দ্বিগুনেরও বেশি। অর্থনীতির চাহিদা-যোগান তত্ত্ব মানলে চিনির বাজার অস্থির হবার কোন কারণই নেই। কিন্তু নানাভাবে ব্যতিক্রম বাংলাদেশের বাজার এক্ষেত্রেও বিরল আচরণ করছে। গত কয়েকদিনে পাইকারি বাজারে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা করে বেড়েছে চিনির দাম।

কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে দাম বাড়ানোর এই অপতৎপরতা চিনি কল মালিকদের জন্য নতুন কিছু নয়। চিনির বাজারের আরেক সমস্যা সরকারি মিলের চিনির সঙ্গে আমদানি করা চিনির দামের পার্থক্য অনেক বেশি। যা বাজার অস্থিতিশীল করতে নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।

You may also like

সিরিয়ায় রুশ বিমান ধ্বংসের জন্য ইসরায়েল দায়ী: রাশিয়া

সিরিয়ার বন্দর নগরী লাতাকিয়ার আকাশে ১৫ আরোহীসহ রাশিয়ার